শুক্রবার , ফেব্রুয়ারি ২৮ ২০২০
সংবাদ শিরোনাম
Home / সারাদেশ / রাজশাহী / উল্লাপাড়ায় রহিমপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় পুরানো ভাঙ্গা ঘরে পাঠ নিচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীরা

উল্লাপাড়ায় রহিমপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় পুরানো ভাঙ্গা ঘরে পাঠ নিচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীরা

সেলিম রেজা, নিজস্ব প্রতিনিধি সিরাজগঞ্জঃ পুরানো ধ্বংসপ্রায় ঘরে শিশুদের পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে রহিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বাঙ্গালা ইউনিয়নের এই বিদ্যালয়টি ১৮৯৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রাচীন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে এখন ছাত্র সংখ্যা প্রায় দুইশত। এলাকাবাসীর প্রচেষ্টায় ১৯৯২-১৯৯৩ অর্থ বছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ থেকে এই স্কুলে ৩টি শ্রেণিকক্ষ বিশিষ্ট ১টি একতলা ভবন নিমার্ণ করা হয়। এখানে ক্লাসে শিক্ষার্থীদের স্থান সংকুলান না হওয়ায় স্কুল কর্তৃপক্ষকে নিরুপায় হয়ে প্রতিষ্ঠা লগ্নের সময় নির্মিত ও বর্তমানে পরিত্যক্ত টিনের ভাঙ্গা ঘরে শিশু শ্রেণির ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। এই গৃহের সামনের বারান্দায় টিনগুলো ভেঙ্গে পড়ছে। জানালা দরজা সবই চুরি হয়ে গেছে। ঘরের বেড়াগুলোর নিচের অংশ ভেঙ্গে নষ্ট হয়ে গেছে। কাঠের পাইর বাঠামে ঘুন ধরে ধ্বংসপ্রায় অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। যেকোন সময় অল্প বাতাসে বা ভারি বৃষ্টিতে ঘরটি ভেঙ্গে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। অথচ চরম ঝুঁকি নিয়ে এই ঘরের মেঝেতে ২৫জন শিশু ছেলে মেয়েকে প্রতিদিন কয়েক ঘন্টা বসিয়ে পাঠদান করছেন স্কুলের শিক্ষকেরা। রহিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাঃ ফুয়ারা খাতুন জানান, ১তলা শ্রেণি ভবনে সকালের শিফ্টে শিশু শ্রেণি, ১ম শ্রেণি, ২য় শ্রেণি ও ৫ম শ্রেণিতে ক্লাস করাতে হয়। ৩টি কক্ষে ১ম, ২য় ও ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদেরকে বসানো হলেও শিশু শ্রেণির ক্লাস নিরুপায় হয়ে পরিত্যক্ত ঘোষিত ভাঙ্গা প্রাচীন টিনের ঘরে পরিচালনা করতে হচ্ছে। বৃষ্টির দিনে চাল দিয়ে পানি পড়ে। ফলে শিক্ষার্থীদেরকে অনেকটা ভিজেই ক্লাস করতে হয় এখানে। বিষয়টি তারা উপজেলা শিক্ষা অফিসকে কয়েক দফা অবহিত করেছেন। শিক্ষা অফিস থেকে এখানে আরেকটি পাকা ভবন নিমার্ণেরও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ভবনটি এখন পর্যন্ত নিমার্ণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। আর একই কারণে ঝুঁকি নিয়ে শিশু শিক্ষার্থীদেরকে ভাঙ্গা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ক্লাস করতে হচ্ছে। এ ব্যাপারে উল্লাপাড়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এমজি মাহমুদ ইজদানীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, রহিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আরো একটি পাকা ভবন নিমার্ণের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো শিক্ষা অফিসের প্রস্তাবনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে ভবন বরাদ্দ না হওয়ায় তারা ওই স্কুলের শ্রেণি সংকট সমাধান করতে পারছেন না। নতুন ভবন না হওয়া পর্যন্ত এখানে শিশু শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙ্গা ঘরে পাঠগ্রহনের সমস্যা সমাধানের জন্য জরুরি ভিত্তিতে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করবে উপজেলা শিক্ষা অফিস বলে উল্লেখ করেন শিক্ষা কর্মকর্তা।

আরও সংবাদ

আত্রাইয়ে মহিলা আওয়ামী লীগের ৫১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ- সারা দেশের ন্যায় বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের ৫১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা …