1. [email protected] : Gk Russel : Gk Russel
  2. [email protected] : Nazrul Islam : Nazrul Islam
  3. [email protected] : pbangladesh :
বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :

এর দায় কে নিবে?জেএসএফ

সংবাদদাতা :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০২৪
  • ২২ বার দেখা হয়েছে

হাকিকুল ইসলাম খোকন,সিনিয়র প্রতিনিধিঃজেএসএফ নেতা হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন,দুর্ঘটনার পর জানা যায় – অবৈধ নির্মাণ , অবৈধ গ্যাস বিদ্যুৎ লাইন। নকশা পরিবর্তন করে নির্মাণ , ইত্যাদি ইত্যাদি। রাজনীতির বিরোধিতার জন্য সরকার বিরোধীরা সরকারের উপর দায়ভার দিয়ে বিবৃতি দেন তার পর ঘুম। প্রশ্ন জাগে – দুর্ঘটনার পর যারা বলেন অবৈধ নির্মাণ , অবৈধ গ্যাস বিদ্যুৎ লাইন। নকশা পরিবর্তন করে নির্মাণ । তারা কি বেতন নিয়ে কাজ করেন ? দুঘটনার আগে তারা মূলত কি করেন ? শাস্তি কি শুধু দালান মালিকদের হবে ? যাদের কাজ হলো এসব তদারকি করা , তাদের শাস্তি কি কোনদিন হবে না ? আড্ডায় বিতর্ক এবং আমাদের আবার বেমালুম ভুলে যাওয়া। ফায়ার সার্ভিসের চালানো একটি সমীক্ষা বলছে, রাজধানীর ৯০ শতাংশ ভবন অগ্নিঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে অতি ঝুঁকিপূর্ণ প্রায় ২৩ শতাংশ ভবন। বেশ কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ব্যানার টানাতেও দেখা গেছে ফায়ার সার্ভিসকে। তাতেও টনক নড়েনি কারো। মালিকরাও কর্ণপাত করছে না ফায়ার সার্ভিসের দেয়া চিঠিকে। ফায়ার সার্ভিস অধিদফতরের তথ্য বলছে, বর্তমানে অগ্নিকাণ্ডের জন্য পুরান ঢাকার ৫ শতাধিক প্লাস্টিক কারখানা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। নিউইয়র্ক থেকে হাজার মাইল দূরে পুরো শহরের মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশী রেস্টুরেন্ট এ রবিবারের ছুটিতে অনেকেই এক হয়ে আড্ডায় বিষয় ছিল চুড়িহাট্টা, সিদ্দিকবাজার, বঙ্গবাজার, বেইলি রোডের মতো একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটেই চলছে।খবর বাপসনিউজ। রাজধানী ঢাকাকে মৃত্যুপুরী, আতঙ্কের শহর, ঝুঁকিপূর্ণ নগরী, জীবন্ত বোমার অলিগলিসহ অনেক নামেই আখ্যা দেওয়া হয়েছে অতীতে। কারণ হিসেবে নিমতলীর আগুন, চুড়িহাট্টা, এফআর টাওয়ার, আরমানিটোলা, নারায়ণগঞ্জ সেজান জুস কারখানা, নিউমার্কেট, মগবাজার বিস্ফোরণ, সিদ্দিকবাজার, বঙ্গবাজার ট্র্যাজেডিসহ একের পর এক হৃদয় বিদারক ঘটনার সাক্ষী হতে হয়েছে রাজধানীর বাসিন্দাদের। সবশেষ এই তালিকায় যুক্ত হলো বেইলি রোড ট্র্যাজেডি। সেখানে ঝরেছে ৪৬ প্রাণ ও আহত শতাধিক। এ আগুনে আমাদের নিউইয়র্ক এ সবার পরিচিত মুখ ও আপনজন সাপ্তাহিক গণবাংলার সম্পাদক এডভোকেট আতাউর রহমান শামীম (৬৩)মারা গেছেন । আড্ডায় একজন তো প্রায় ক্ষেপে গিয়ে বললেন ,বাংলাদেশের ৯৫% অনিয়ম এবং অপকর্মের জন্য দায়ী প্রশাসন।প্রশাসন যদি রাস্ট্রের দায়িত্ব পালন করত শান্তিময় হয়ে যেত পুরো বাংলাদেশ।

আরেকজন বললেন , ঘটনা ঘটলে চারদিকে হৈচৈ, ব্যাপক আলোচনা, তদন্ত কমিটি ইত্যাদি গরম গরম সংবাদ শিরোনামে স্থান পায়। কিছুদিন পর কেমন যেন হাওয়াই মিঠার মতো সবকিছু হাওয়ায় মিশে যায়। কেউ কারও খবর রাখে না।

রসিক মেজাজের একজন ( যাঁকে আমরা রসের হাঁড়ি বলে ডাকি ) বললেন , আপাতত ১৫/২০ দিন এগুলা নিয়া মাইতা থাকেন।খুব শীঘ্রই পরবর্তী ইস্যু হবে।ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেট ভবন ধসে যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা থাকলেও এ নিয়ে উদ্বেগ নেই দুই সিটির।

সবচেয়ে গম্ভির মানুষটি বললেন , কেমিক্যাল গোদাম, অপরিকল্পিত ভবনের কারণে সবসময় ঢাকা ঝুঁকিতে থাকে। এই ঝুঁকিমুক্ত হতে সবার আগে ঢাকাবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

আমার নীরবতা দেখে হটাৎ একজন প্রশ্ন প্রশ্ন করলেন , এসব অগ্নিকাণ্ড নামের হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী কে?

আমি বললাম, সমস্যা নেই এসব এখন কেউ বলবে না। সবকিছুতে সরকারের দোষ। সরকার বলতে তো একক কোন ব্যক্তি নয়। তাই যাদের দায়িত্ব তারাই দোষী। সরকারের উপর দোষ চাপিয়ে নাকে একনাম্বার খাঁটি সরিষার তেল দিয়ে ঘুম। আবার যখন
অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনার খবর জানতে পারবেন ঠিক তখন আবার শুনবেন দুর্ঘটনার জন্য দ্বায়ী অবৈধ নির্মাণ , অবৈধ গ্যাস বিদ্যুৎ লাইন। নকশা পরিবর্তন করে নির্মাণ , ইত্যাদি ইত্যাদি। লাশেরহিসেবে নির্ধারণ হবে সংখ্যায়। কোথাও অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটলে নড়ে প্রশাসনের। অতঃপর আবার ঘুম।

বিশেষজ্ঞরা অবশ্য এই সব অগ্নিকাণ্ডকে দুর্ঘটনা বা অগ্নিকাণ্ড বলতে রাজি নন। তাদের বক্তব্য এসব কার্যত হত্যাকাণ্ড। রাসায়নিক দাজ্য পদার্থ, সিলিণ্ডার অপরিকল্পিতভাবে রাখায় এসব ট্র্যাজেডির মুখোমুখি রাজধানীর মানুষকে পড়তে হচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে বিল্ডিং নির্মাণ, দাহ্য পদার্থ রাখা, অনিয়ন, অব্যবস্থাপনা দেখভালের দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশন, রাজউক নাকি ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষের?

কোন ভবনের সবকিছু ঠিক নেই জানতে হলে অপেক্ষা করতে হবে আবার কোন অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনার

পাশ থেকে একজন বলেন – প্রতিটি ট্র্যাজেডির পর সংশ্লিষ্ট সবারই উচ্চকন্ঠে শোনা গেছে ঝুঁকিমুক্ত শহর গড়ার প্রতিশ্রুতি। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আড়ালে চলে গেছে প্রতিটি ঘটনা। নতুন করে বড় ঘটনা ঘটলে আবার শুরু হয় আশার বাণী শোনানোর প্রতিযোগিতা। চিঠি আদান-প্রদান তারপর আবার বেমালুম ভুলে যাওয়া।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

নামাজের সময়সূচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:২২
  • ১২:০২
  • ৪:৩০
  • ৬:২৪
  • ৭:৪০
  • ৫:৩৭
শিক্ষা তথ্য পত্রিকার কোন লেখা, ছবি বা ভিডিও কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সাইবার প্লানেট বিডি