1. [email protected] : Gk Russel : Gk Russel
  2. [email protected] : Nazrul Islam : Nazrul Islam
  3. [email protected] : pbangladesh :
কুড়িগ্রামে চরে চাষাবাদ, কর্মসংস্থান বেড়েছে নারী-পুরুষের - শিক্ষা তথ্য
বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শার্শা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী সোহারাব,রহিম ও সালমা রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শঙ্কা রূপ নিল বাস্তবে, প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী রানুর ভরাডুবি বিপুল ভোটে বিজয়ী হাবিব লামার উপজেলা নির্বাচনে বিজয়ী আবারও চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল নতুন ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন দুইজন পটিয়া উপজেলা জাতীয় পার্টির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি অনুমোদন আহবায়ক খোরশেদ আলম, সদস্য সচিব নুরুল ইসলাম কলাপাড়ায় মন্দিরের প্রতিমা ভেঙে স্বর্নের চোখ নিয়ে গেছে দূর্বৃত্ত কলাপাড়ায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংক্রান্ত সচেতনতা বিষয়ক কর্মশালা মহিপুরে মসজিদ ছুয়ে ভেটের প্রতিশ্রুতি দিলেই মিলছে জেলে চাল, বঞ্চিত প্রকৃত জেলেরা কলাপাড়ায় হিফজ সমাপনী হাফেজ ছাত্রদের দস্তারবন্দী মার্কিন নিষেধাজ্ঞা: যা যা করতে পারবেন না সাবেক সেনাপ্রধান আমাদের সমাজে ভালো মানুষের খুব অভাব

কুড়িগ্রামে চরে চাষাবাদ, কর্মসংস্থান বেড়েছে নারী-পুরুষের

সংবাদদাতা :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৫৪ বার দেখা হয়েছে
নয়ন দাস,কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃকয়েক মাস আগেও কুড়িগ্রামের তিস্তা নদীতে ছিল অথৈই পানি। এখন সেই পানি শুকিয়ে যাওয়ায় তিস্তার বুকে জেগে উঠেছে চর। যেদিকে দু-চোখ যায় শুধু ধু-ধু বালুচর। এ বালুচরে স্থানীয় কৃষকরা আলু, পেঁয়াজ, রসুন ও মিষ্টিকুমড়া রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ব্যাপক পরিসরে তিস্তার চরে চাষাবাদ হওয়ার ফলে কর্মসংস্থান হয়েছে অনেক পুরুষ ও নারী শ্রমিকের। কেননা কৃষি সেক্টর ছাড়া, তেমন কোনো কাজের সুযোগ নেই এ অঞ্চলে। কৃষকরা বলেন, এ বছর বন্যায় ভারত থেকে পানির সঙ্গে কাঁদা পানি আসার ফলে তিস্তা নদীর বালু মাটিতে পলি জমেছে। ফলে এসব জমিতে বিভিন্ন আবাদ ভালো হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন তারা।
জানা গেছে, তিস্তা নদীটি নীলফামারী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে লালমনিরহাট হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট, উলিপুর ও চিলমারী উপজেলা হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদে মিলিত হয়েছে। দেশের অভ্যন্তরে ১১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ নদীটি কুড়িগ্রাম অংশে পড়েছে ৪০ কিলোমিটার। কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, জেলায় আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত সাড়ে ৫০০ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ ও ১৫০ হেক্টর জমিতে মিষ্টিকুমড়ার আবাদ অর্জিত হয়েছে। তবে এখনো পেঁয়াজ ও রসুনের পরিসংখ্যান হাতে পায়নি কৃষি বিভাগ।
কৃষি বিভাগ জানান, কুড়িগ্রামের বিভিন্ন চরাঞ্চলের ৪৫ হাজার হেক্টর জমির মধ্যে ৩৪ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রকার আবাদ করা হয়ে থাকে। উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের চাপড়ার পাড় এলাকার কৃষক জিয়াউর রহমান বলেন, আমার তিস্তার চরে এক একর জমি আছে। সেই জমিতে প্রতিবছর বিভিন্ন আবাদ করেই চলি। চরের এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষে সব মিলিয়ে খরচ হয় প্রায় ১৫-২০ হাজার টাকা। আর এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজ উৎপাদন হবে ৩০-৩৫ মণ। আমাদের এখানকার অনেকে চরে বিভিন্ন আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। একই উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের গড়াইপিয়ার এলাকার সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি ১০ একর চরে জমি লিজ নিয়েছি। সেখানে আলু, পেঁয়াজ ও রসুন রোপণের প্রস্তুতি নিচ্ছি। চরের জমিতে বিভিন্ন ফসল আবাদ করেই আসলে জীবীকা নির্বাহ করি আমি। তিস্তার চরে কাজ করতে এসেছেন আলেয়া বেগম (৫০) নামের এক নারী। তিনি বলেন, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কাজ করলে মজুরি পাই ২০০ টাকা। পুরুষরা পান ৪০০ টাকা। মজুরিটা একটু বেশি হলে ভালো হতো। তারপরেও নিয়মিত কাজ থাকার কারণে সংসারে একটু অভাব কমেছে। এইরকম কাজ সারাবছর থাকলে, আমার মত পরিবারগুলোর অনেক ভালো হতো। ঘোড়ার গাড়ি চালক রহিম মিয়া বলেন, পুরোদমে কাজ চলছে তিস্তার চরে। জমিতে আমরা বিভিন্ন মালামাল পরিবহন করছি। সেখানে তো অন্য কোনো গাড়ি যায় না। তাই ঘোড়ার গাড়ি ভরসা। আমার কাজেরও ব্যস্থতা বেরেছে। নিয়মিত এমন কাজ থাকলে, আয়টা ভালো হয়। কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিপ্লব কুমার মোহন্ত জানান, আমাদের কৃষকরা শীতকালীন আলু, সরিষা, পেঁয়াজ, রসুন ও মিষ্টিকুমড়া রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এদিকে আগাম অনেক শাকসবজিও পাওয়া যায়। যেহেতু কৃষকরা দাম ভালো পায়, তাই একটু বেশি পরিসরে আবাদে করার জন্য উৎসাহী হচ্ছেন। আমরা তাদেরকে সবসময় পরামর্শ দিয়ে আসছি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

নামাজের সময়সূচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৫২
  • ১১:৫৮
  • ৪:৩৩
  • ৬:৪০
  • ৮:০৩
  • ৫:১৩
শিক্ষা তথ্য পত্রিকার কোন লেখা, ছবি বা ভিডিও কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সাইবার প্লানেট বিডি