বৃহস্পতিবার , এপ্রিল ৯ ২০২০
সংবাদ শিরোনাম
Home » অনিয়ম » গণপূর্ত বিভাগের অদৃশ্য নিরবতায় টি.টি.সি-ভবন নির্মানে অনিয়ম দুর্নিতী

গণপূর্ত বিভাগের অদৃশ্য নিরবতায় টি.টি.সি-ভবন নির্মানে অনিয়ম দুর্নিতী

স্টাফ রিপোর্টারঃ পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলায় ২০ কোটি ৯১লক্ষ ৭৪ হাজার টাকা ব্যয়ে পাঁচ তলা বিশিষ্ট একাডেমি ভবন, চার তলা ডরমিটরি ভবন, তৃতীয় তলা প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপাল ভবন এবং সীমানা প্রাচীর নিয়ে নির্মিত হচ্ছে টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টি.টি.সি)। বর্তমান সরকার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও বৈদেশিক শ্রমবাজারের ক্ষেত্র সম্প্রসারণের উদ্দেশ্য কারিগরি প্রশিক্ষণকে সর্বচ্ছ গুরুত্ব দিচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত-২০১৮ ইং সালের ১৭ অক্টোবর সাবেক বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন। পটুয়াখালী গণপূর্ত বিভাগের অফিস সূত্রে জানাযায়, প্রকল্পটি বৈদেশি অর্থায়নে বাস্তবায়ন করছেন গণপূর্ত বিভাগ পটুয়াখালী। সূত্রে আরো জানাযায়, গত-২০১৮ ইং সালের ১৪ আগস্ট মেসার্স আমির ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন, এম এম বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড, মেসার্স নিয়াজ ট্রেডার্স ও জেভি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ বাস্তবায়নে চুক্তি করে। শুরুতেই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান SABT-MMK-BBL(JV) কতৃক দশমিনা উপজেলায় নবনির্মিত টি.টি.সি-ভবন নির্মানের অনিয়ম ও দুর্নিতীর অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের অবকাঠামো নির্মান কাজে বাঁশ ও কাঠের সেন্টারিংয়ের কথা উল্লেখ না থাকলেও সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা যায়, দৃশ্যত ৮০ শতাংশ বাঁশ ও কাঠের তৈরী সেন্টারিং দিয়ে চলছে নির্মান কাজ। যেখানে অবকাঠামো নির্মাণ কাজের জন্য স্টিল সেন্টারিং দিয়ে শতভাগ কাজের নির্দেশনা রয়েছে। শুধু তাইনয় নির্মাণকাজে চুক্তির ব্যত্যয় ঘটিয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান গোটা প্রকল্পের নির্মান কাজে নিন্মমানের ইট, বালু, পাথর ও সিমেন্ট ব্যাবহার করছেন অবলীলায়। সার্বিক অনিয়মের বিষয় পটুয়াখালী গনপূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মো. হারুন অর রশিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এব্যাপারে আমার কোন বক্তব্য নেই। আপনারা পত্রিকায় প্রকাশ করুন লিখেদিন আমি কোন বক্তব্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছি। তাছাড়া প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা পটুয়াখালী গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান বলেন আমি প্রকল্প এলাকাটি পরিদর্শন করেছি বলে দায়সারা বক্তব্য দিয়ে এরিয়ে যান। বিষয়টি নিয়ে দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করলে তিনি বলেন অনিয়মের বিষয়ে আমি কিছুটা শুনতে পেরেছি এবং সরেজমিন অনুসন্ধান পূর্বক ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।ইতিমধ্যে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী কাজী মাহফুজ মুঠোফোনে প্রকল্পের অনিয়ম ও দুর্নিতীর সাংবাদ প্রকাশ ঠেকাতে গণমাধ্যমকে উৎকোচের ব্যর্থ চেষ্টা চালায়। স্থানীয় সাধারণ জনগণ মনে করছেন, অচিরেই উচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ ছাড়া এই অনিয়ম ঠেকানো সম্ভব নয় বলে গণমাধ্যমকে জানান।

আরও সংবাদ

বাঘমারায় আজিমুদ্দিন বাহিনীর তান্ডবে আহত বিধবা, লণ্ডভণ্ড বাড়ি ঘর

রবিউল ইসলাম,রাজশাহীঃ রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার মাধাই মুড়ি  গ্রামের অসহায় হতদরিদ্র, ভূমি হীন, অসহায় আকলিমা বেওয়া …