বুধবার , এপ্রিল ৮ ২০২০
সংবাদ শিরোনাম
Home » জাতীয় » জাতীর উদ্যেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-‘ঘরে থাকুন, নিজ ও পরিবারকে নিরাপদ রাখুন’

জাতীর উদ্যেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-‘ঘরে থাকুন, নিজ ও পরিবারকে নিরাপদ রাখুন’

মো: শাহাদাত হোসাইন শিমুল
শিক্ষা বিষয়ক প্রতিনিধি-

কোভিড -১৯ (করোনা ভাইরাস) মোকাবেলায় সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষের সহায়তায় বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ বুধবার ( ২৫ মার্চ) জাতির উদ্দেশে দেয়া এক ভাষণে একথা বলেন তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিনামূল্যে ভিজিডি, ভিজিএফ এবং ১০ টাকা কেজি দরে চাল সরবরাহ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। একইভাবে বিনামুল্যে ওষুধ ও চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের শিল্প উৎপাদন এবং রপ্তানি বাণিজ্যে আঘাত আসতে পারে। এই আঘাত মোকাবিলায় আমরা কিছু আপৎকালীন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য আমি ৫ হাজার কোটি টাকার একটি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করছি। এই তহবিলের অর্থ দ্বারা কেবল শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা যাবে।

এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে ব্যবসায়-বান্ধব বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগামী জুন মাস পর্যন্ত কোন গ্রাহককে ঋণ খেলাপি না করার ঘোষণা দিয়েছে।

রপ্তানি আয় আদায়ের সময়সীমা ২ মাস থেকে বৃদ্ধি করে ৬ মাস করা হয়েছে। একইভাবে আমদানি ব্যয় মেটানোর সময়সীমা ৪ মাস থেকে বৃদ্ধি করে ৬ মাস করা হয়েছে।

মোবাইলে ব্যাংকিং-এ আর্থিক লেনদেনের সীমা বাড়ানো হয়েছে।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, বিদ্যুৎ, পানি এবং গ্যাস বিল পরিশোধের সময়সীমা সারচার্জ বা জরিমানা ছাড়া জুন মাস পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এনজিওগুলোর ঋণের কিস্তি পরিশোধ সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে।

আজ সমগ্র বিশ্ব এক অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে চলছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, যেকোন কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য আমাদের সরকার প্রস্তুত রয়েছে।

আমরা জনগণের সরকার। সব সময়ই আমরা জনগণের পাশে আছি। আমি নিজে সর্বক্ষণ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের এখন কৃচ্ছতা সাধানের সময়। যতটুকু না হলে নয়, তার অতিরিক্ত কোন ভোগ্যপণ্য কিনবেন না। মজুদ করবেন না। সীমিত আয়ের মানুষকে কেনার সুযোগ দিন।

আমরা খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এ বছর রোপা আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। সরকারি গুদামগুলোতে ১৭ লাখ মেট্রিক টনের বেশি খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে।

এছাড়া বেসরকারি মিল মালিকদের কাছে এবং কৃষকদের ঘরে প্রচুর পরিমাণ খাদ্যশস্য মজুদ আছে। চলতি মওসুমে আলু-পেঁয়াজ-মরিচ-গমের বাম্পার ফলন হয়েছে।

কৃষক ভাইদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোন জমি ফেলে রাখবেন না। আরও বেশি বেশি ফসল ফলান। দুর্যোগের সময়ই মনুষ্যত্বের পরীক্ষা হয়। এখনই সময় পরস্পরকে সহায়তা করার মানবতা প্রর্দশনের।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আবারও বলছি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

সকলে যার যার ঘরে থাকুন, ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, নিরাপদ থাকুন।

আরও সংবাদ

বাউফলে বিভিন্ন ইউনিয়নে ১৩’শ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রদান

বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী বাউফলের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ১৩শত অসহায় দুস্থ ও অস্বচ্ছল পরিবারের …