1. [email protected] : Gk Russel : Gk Russel
  2. [email protected] : Nazrul Islam : Nazrul Islam
  3. [email protected] : pbangladesh :
দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্ব গতিতে সীমাহীন কষ্টে নিন্ম আয়ের মানুষ - শিক্ষা তথ্য
সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিক রেজাউল করিমের ভাগিনা জুনাইদ আহসান’র শুভ জন্মদিন রূপগঞ্জের বিস্মিল্লাহ আড়তদারদের ভয়ভীতি ও জিম্মি করে দুই কোটি টাকা চাঁদা আদায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন বিক্ষোভ পলাশীকুড়া জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি স্বাস্থ্য মেলার উপর শিক্ষামূলক এবং ইন্টারেক্টিভ ইভেন্ট এমপি আনার হত্যা: কলকাতা গেল ডিবির প্রতিনিধি দল জুলাই মাসেই হবে ১৮ তম নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা ১৮ জুন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু শান্তিরক্ষী নিয়ে ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন পক্ষপাতমূলক: আইএসপিআর ওকন্যারা হযরত ওমর ফারুক (রা.) জামে মসজিদে সৈয়দ আহমদ শাহ সিরিকোটি (রা.) ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান রাজনকে গণসংবর্ধনা প্রদান বন্দরে সায়রা রিসোর্টে জয় গোবিন্দ উচ্চ বিল্যালয় ৮৮ ব্যাচের আনন্দ ভ্রমণ

দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্ব গতিতে সীমাহীন কষ্টে নিন্ম আয়ের মানুষ

সংবাদদাতা :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১০৫ বার দেখা হয়েছে

রিপোর্ট, রাকিব হোসেন মিলনঃ- দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্ব গতি এখন যেনো লাগামহীন ঘোড়ার মতো অবস্থা। সংকট, সংকট আর সংকট। সার্বিক সংকটের আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে জনগণ। সংকটের এ ঘূর্ণি থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় নাই সাধারণ জনগণের। মূল কথাটা হচ্ছে যারা এ সংকট থেকে জনগণকে উদ্ধার করার কথা, তাদের এ বিষয়ে মাথাব্যথা আছে বলে মনে হচ্ছে না। ক্ষমতাসীনদের নজর এখন আগামী জানুয়ারির দিকে। সে সময় দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন। তাঁদের মাথাব্যথা একটাই-কীভাবে নির্বাচনের বৈতরণী অতিক্রম করে ক্ষমতায় টিকে থাকা যাবে। ক্ষমতার বাইরে যারা আছেন, তাদেরও একই চিন্তাভাবনা-কীভাবে ক্ষমতার মসনদে বসা যাবে।দুই পক্ষেরই একই চিন্তা। তাদের চাই ক্ষমতার মসনদ। জনগণের কল্যাণের বিষয়টি রাজনীতিকদের মাথায় নেই বললেই চলে। হতভাগা আর অসহায় জনগণ বাঁচল না মরল, তাতে কিছু আসে-যায় না। ক্ষমতার গদিই রাজনীতিকদের কাছে আসল হিসেবে প্রতীয়মান। ২০২০ সালের মার্চ থেকে করোনা মহামারির শুরু। বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় রকমের ধাক্কা খায় সেই দূর্যোগপূর্ন সময় থেকে।ধারাবাহিক ভাবে সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক জীবনযাত্রা হয় বিপর্যস্ত। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নিম্নআয়ের মানুষ। দেশে দরিদ্র ও বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। সেই সময় থেকে নিত্যপণ্যের মূল্য বাড়তে থাকে, এখনো বাড়ছে। করোনার মরন কামড় থেকে আপাতত কিছুটা রেহাই পেলেও এখন আগের ন্যায় বাজারের আগুন জ্বলছেই। জনজীবনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় তুলনামূলক আরও বেড়েছে। দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি যে পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, তাতে মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত কীভাবে বেঁচে আছে তা ভুক্তভোগীই জানেন। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি উচ্চবিত্তদের প্রভাবিত করে না। দাম যতই বাড়ুক, তারা কিনতে পারেন। কিন্তু তাদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। দেশের জনসংখ্যার বিশাল অংশ মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত ও দরিদ্র। প্রকৃত অর্থে জনসংখ্যার এ বিশাল অংশই সাধারণ জনগণ এবং সাংবিধানিক ভাবে তারাই ক্ষমতার উৎস। অথচ সাধারণ জনগণ আজ চরম মাত্রায় উপেক্ষিত। জনগণই রাজনীতিকদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করেন, অবশ্য যদি সুযোগ পান। রাজনীতিকরা অবহেলিত জনগণের ওপর নির্ভর করেই ক্ষমতায় বসেন এবং পরে জনগণের কথা ভুলে যান। ক্ষমতায় গিয়ে তারা ধনিক শ্রেণির স্বার্থ রক্ষা করতে একটু ও ভুলে যান না। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য ব্যবসায়ীদের বিশেষ গোষ্ঠী বা সিন্ডিকেট দায়ী, এ কথা সবাই বলছেন। সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া বা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে বারবার। সংসদেও কথা উঠেছে। কিন্তু আসল কাজ তো হলোনা। কোথায় যেন প্রতিবন্ধকতা আছে। সরকারের বাজার তদারকি সংস্থা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মাঝেমধ্যে বাজারে অভিযান চালায় এবং বেশি দামে পণ্য বিক্রির অভিযোগে বিক্রেতাদের জরিমানা করে। এসব অভিযান মূলত খুচরা বিক্রির দোকানে অথবা ছোট পাইকারি বিক্রয় কেন্দ্রেই সীমাবদ্ধ থাকে। বড় ব্যবসায়ী বা বড় পাইকাররা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। অথচ তারাই সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ায়।বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ডিম, আলু ও পেঁয়াজের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য বেঁধে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তার ঘোষণা অনুযায়ী ডিমের খুচরা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি পিস ১২ টাকা। তাহলে এক ডজনের দাম দাঁড়ায় ১৪৪ টাকা। সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধির আগে ডিমের দাম ছিল প্রতি ডজন ১১০-১২০ টাকা। সেটি বেড়ে ১৬০ টাকার উপরে গিয়েছিল। এখন যে দাম নির্ধারণ করা হলো, সেটিও তো আগের চেয়ে অনেক বেশি। এ দামও খুচরা বিক্রেতারা মানছে না। বর্ধিত দামেই তারা ডিম বিক্রি করছেন।বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন, ভোক্তা অধিদপ্তর অভিযান চালাবে রাজধানীর খুচরা বাজারসহ দেশের সর্বত্র। তাতেও কাজ না হলে ডিম আমদানি করা হবে। পেঁয়াজসহ অনেক নিত্যপণ্যই আমদানি করা হয় ভোক্তার চাহিদা পূরণের জন্য। কিন্তু ডিমের বিষয়টি ভিন্ন। দেশে ডিমের ঘাটতি নেই, ভোক্তার চাহিদা পূরণের মতো পর্যাপ্ত পরিমাণ ডিম আমাদের দেশেই উৎপাদিত হয়। উচ্চমূল্যের কারণে মাছ-মাংস সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। ডিম মোটামুটি ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ছিল বলেই নিম্নআয়ের মানুষ ডিম দিয়ে আমিষের চাহিদা মেটাতেন। এটারও ভয়ংকর সুযোগ নিয়েছে ব্যবসায়ীরা। তারা সিন্ডিকেট করে ডিমের দাম বাড়িয়ে অতিরিক্ত মুনাফা লুটে নিচ্ছে। ডিম আমদানি এখন আমাদের জন্য জরুরি হয়ে পড়েছে। এতে বাজারে সরবরাহ বাড়বে, ভোক্তারাও ন্যায্যমূল্যে ডিম পাবে। বিশ্ববাজারের সর্বত্রই ডিমের দাম বাংলাদেশের তুলনায় অনেক কম। প্রতিবেশী ভারতে ডিমের দাম বাংলাদেশের তুলনায় অর্ধেক। সেখান থেকে আমদানি করলে খরচ পড়বে কম, বাজারেও কম দামে সরবরাহ করা যাবে। সরকার যদি ডিম আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভেঙে যাবে বলে আশা করছি।আমাদের আমিষের অন্যতম উৎস মাছ-মাংস মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। গরুর মাংস ৮০০ টাকা কেজি, খাসি ১২০০-১৩০০। ভারত ও ব্রাজিল গরুর মাংস রপ্তানি করে। ভারতে গরুর মাংস প্রতি কেজি ২৫০-৩০০ টাকা। সেখান থেকে আমদানি করলে নিশ্চয়ই অনেক কম দামে ভোক্তাদের দেওয়া যাবে। অসাধু মাংস ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটও ভেঙে দেওয়া যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মাংস আমদানির কথা একবার শোনা গিয়েছিল, তারপর আর খবর নেই। এ ব্যাপারে যারা সিদ্ধান্ত নেবেন তাদের মাথাব্যথা নেই, কারণ ৮০০ টাকা কেজি মাংস তাদের জন্য সমস্যা নয়। সমস্যা শুধু সাধারণ মানুষের। তাদের কাছে গোমাংস সোনার হরিণ। নিত্যপণ্যের কথা বলতে গেলে আলু ও শাকসবজির কথা বলতেই হয়। একসময় আলু ছিল সবচেয়ে কম দামি খাদ্য। আলুর দাম মাঝেমধ্যে এত কমে যেত যে, কৃষক আলু বাজারে বিক্রি না করে গরুকে খাওয়াতেন। সেই সস্তা খাদ্য আলুও এখন বিশাল দাপটের পন্য। দশ-পনেরো টাকার আলুর দাম বেড়ে প্রতি কেজি ৫০ টাকার উপরে উঠেছে। অথচ দেশে আলুর ঘাটতি নেই। যথেষ্ট পরিমাণ মজুত আছে; যা দিয়ে ডিসেম্বরে নতুন আলু আসা পর্যন্ত ভোক্তার চাহিদা মেটানো যাবে। তাহলে আলুর দাম এত বাড়ল কেন? দাম বাড়েনি, বাড়ানো হয়েছে। যেহেতু মাছ-মাংস-সবজির দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ছাড়িয়ে গেছে, তারা কম মূল্যের আলুর দিকে ঝুঁকেছেন। এটাই অসাধু ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মুনাফার সুযোগ এনে দিয়েছে। তারা সিন্ডিকেট করে অস্বাভাবিক হারে আলুর দাম বাড়িয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার আলুর দামও বেঁধে দিয়েছেন, ৩৫ টাকা কেজি। সেটিও তো বেশি। তা-ও কার্যকর হয় নি। শুধুই চরম হতাশা আর গ্লানি। সবজির বাজারে আগুন তো জ্বলছেই। সবজি সরবরাহে ঘাটতি নেই, বাজারে প্রচুর সবজি। কিন্তু ছোঁয়া যায় না, দাম এত বেশি। দাম নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেই। ডেঙ্গুতে যখন মানুষ মারা যাচ্ছে, প্রাণে বাঁচার আশায় হাসপাতালে ছুটছে, সে সময় বেসরকারি হাসপাতালগুলো চুটিয়ে ব্যবসা করছে, মুনাফার পাহাড় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত গুরুতর রোগীদের জন্য আইসিইউ প্রয়োজন হয়। সরকারি হাসপাতালে আইসিইউর খরচ অনেক কম, কিন্তু এসব হাসপাতালে আইসিইউ শয্যাও কম। গুরুতর রোগীকে স্বজনরা তখন বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করেন। বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসার জন্য গলাকাটা দাম দিতে হয়। প্রতিদিনের জন্য ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়। আইসিইউর জন্য লাখ লাখ টাকা বিল দিতে গিয়ে বহু পরিবার শেষ হয়ে যাচ্ছে। রোগী মারা গেলেও পুরো বিল শোধ করে লাশ নিতে হয়। না হলে লাশ আটকে রাখে। করোনা মহামারির সময়ও বেসরকারি হাসপাতালের এমন নিষ্ঠুর আচরণ দেখা গেছে। বেসরকারি হাসপাতালের মালিক দেশের বড় ব্যবসায়ীরা। মানুষের জীবন নিয়ে তারা ব্যবসা করছেন, মুনাফা লুটছেন। সরকার জানে, কিছু বলে না, এদের ওপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ আছে বলে মনে হয় না। আলোচনার শেষ পর্যায়ে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সৃষ্ট রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা প্রয়োজন। নির্বাচনের আর অল্প কিছু সময় বাকি।সরকারপক্ষ ও বিরোধীপক্ষ উভয়েই অনড় অবস্থানে রয়েছেন। আওয়ামী লীগ সংবিধান অনুযায়ী ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রশ্নে আপস করবে না। বিএনপি ক্ষমতাসীন সরকারের পদত্যাগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচন করবে না। বিএনপির রাজপথের আন্দোলন এবং আওয়ামী লীগের আন্দোলন পাশাপাশি চলছে।উত্তাপ বাড়ছে রাজনীতির মাঠে।বিএনপি কঠোর আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে-আওয়ামী লীগ বলছে, তারাও বসে থাকবে না। এর ফল দাঁড়াবে একটাই-সংঘাত ও সহিংসতা। রাজনৈতিক সংকট আরও জটিল হোক এটা আমরা কেউই চাই না। সংকটে সংকটে জর্জরিত অসহায় জনগণের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছাবে। সাধারন জনগন যাবে কোথায়?

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

নামাজের সময়সূচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৫০
  • ১১:৫৯
  • ৪:৩৪
  • ৬:৪২
  • ৮:০৬
  • ৫:১২
শিক্ষা তথ্য পত্রিকার কোন লেখা, ছবি বা ভিডিও কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সাইবার প্লানেট বিডি