শিক্ষা তথ্য

পটুয়াখালী দুমকিতে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদার দাবিতে ভূমিদস্যুদের হামলা,ভাংচুর ও লুটপাট (দ্রুত বিচার আদালতে মামলা)

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নে ভূমিদস্যুদের চাঁদার টাকা না দেয়ায় নির্মীয়মান বহুতল ভবন নির্মাণ কাজে বাঁধাসহ সীমানা প্রাচীর ভাংচুর ও লুটপাটের খবর পাওয়া যায়।

সরেজমিন অনুসন্ধান ও ভুক্তভোগী পরিবারসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে খোঁজ নিয়ে জানাযায়,গত ৩১ মার্চ ২১ তারিখ দুপুর অনুমান ২.৩০ মিনিট হইতে ৩.৩০ মিনিট টানা ১ ঘন্টা ব্যাপী ৫ লক্ষ টাকার চাঁদার দাবিতে স্থানীয় চাঁদাবাজ ভূমিদস্যুরা দেশীয় অস্ত্র লোহার সাবল,লোহার রড, রামদা,ল্যাজাসহ লোহার হ্যামার দিয়ে তান্ডব চালায় এবং নির্মীয়মান বহুতল ভবনের পাইলিং ও সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করে। তাছাড়া ভূমিদস্যুরা সীমানা প্রাচীরের মধ্যে অবস্থিত টিনের বসত বাড়ির বেড়া, চাল, দরজা ভেঙে প্রবেশ করে পাইলিং কাজের জন্য গচ্ছিত নগদ ২ লক্ষ টাকাসহ নির্মীয়মান ভবনের কাজে ব্যবহৃত মূল্যবান সরঞ্জামাদি লুটপাট করে নিয়ে যায়।

সন্ত্রাসী হামলায় নির্মীয়মান ভবনের প্রায় ২ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা জানান। এব্যপারে গত ১’লা এপ্রিল ২১ তারিখ ভুক্তভোগী মোঃ আসাদুজ্জামান( জিহাদ) (২২) পিতা মৃত এ.বি.এম নুর আলী বাদি হয়ে স্থানীয় চাঁদাবাজ ভূমিদস্যু জিয়াউল ইসলাম ইসলাম খান (৫৮) পিতা মৃত. নজরুল ইসলাম, মাসুদ মৃধা (৩৫) পিতা মৃত. ফকু মৃধাসহ মৃত.করিম মৃধার তিন পুত্র সবুজ মৃধা (৪০) বজলু মৃধা (৩৫) সোহাগ মৃধা (৩০) সহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনকে আসামি করে পটুয়াখালী বিজ্ঞ আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী (অপরাধ) দ্রুত বিচার আইনের ৪/৫ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ৭০। চাঁদাবাজরা সকলেই দুমকি উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা।

মামলাসূত্রে আরে জানাজায়, বাদী মোঃ আসাদুজ্জামানের বড় ভাই এই মামলার ১নং স্বাক্ষী কামরুজ্জামান ২০১৭ সালে জনৈক খলিলুর রহমানের নিকট হইতে শ্রীরামপুর মৌজার জে এল ২৫,এস এ ৩৫৩ নং খতিয়ানের ২১৭৯ নং দাগে ০৫ শতাংশ সম্পত্তি কবলা মুলে খরিদ করেন। এবং উক্ত সম্পত্তিতে ইট দিয়ে সীমানা প্রাচির ও বসত বাড়ি নির্মান করে বৈদ্যুতিক মিটার সংযোগ,পানির টিউবয়েল বসিয়ে বসবাসের যোগ্য হিসাবে স্থানে আছে।

সূত্রে আরো জানাযায়,১নং স্বাক্ষীকামরুজ্জামান সরকারি চাকুরির সুবাদে তার কর্মস্থলে থাকায় বাদী আসাদুজ্জামান বসবাস করিতেছে। আসামিরা দির্ঘদিন ধরে মোটা অংকের চাঁদার দাবি করে আসছে। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করলে আমরা এই হামলার শিকার হই। দুমকি থানাপুলিশ থেকে ৫শত মিটার দুরত্বে এই হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় স্থানীয়রা বিশ্বয় প্রকাশ করেছে।

এব্যপারে দুমকি থানাপুলিশের অফিসার ইমচার্জ মেহেদী হাসানের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেনি।তবে এই মামলার তদন্ত অফিসার এসআই কামরুল ইসলাম বলেন আমি তদন্ত করছি। দোষী ব্যক্তিদের আবশই আইনের আওতায় আনা হবে। খোঁজ নিয়ে জানাযায়, এখন পর্যন্ত কোন আসামি গ্রেফতার হয়নি।

এই মামলার আসামিদের কাছে বিস্তারিত জানতে চাইলে মুঠোফোনে ২নং আসামি মাসুদ মৃধা দৈনিক বাংলাদেশ কন্ঠ,ও দৈনিক বরিশাল সমাচারের প্রতিনিধিকে ফোনে বলেন, বাদী আসাদুজ্জামান জিহাদ আমাদের বিরুদ্ধে একটা মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে ভিত্তিহীন বানেয়াট এবং মুঠোফোনে দাম্ভিক ভাবে ২নং আাসামী মাসুদ আরো বলেন এখন দেখছি এই মামলাটা খেয়ে ফেলতে হবে বলে জানান তিনি।

স্থানীয় জনসাধারণের মনে প্রশ্ন ভূমিদস্যু ও চাদাঁবাজদের প্রকৃত খুটির জোড় কোথায়।।

শেয়ার করুন