বৃহস্পতিবার , এপ্রিল ৯ ২০২০
সংবাদ শিরোনাম
Home » অর্থনীতি » প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার আগে কিস্তি বন্ধ করার প্রয়োজন

প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার আগে কিস্তি বন্ধ করার প্রয়োজন

ইমরান হোসেন, লক্ষ্মীপুর থেকেঃ করোনাভাইরাস এর সতর্কতার জন্য যদি দেশের স্কুল কলেজসহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হতে পারে, তবে গার্মেন্টস শিল্পে ছুটি কেন নয়। দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, গার্মেন্টস বন্ধ রাখার আগে কিস্তি বন্ধ করা প্রয়োজন। কেননা বর্তমানে বাংলাদেশের নিম্ন থেকে মধ্যবিত্ত পরিবারের ভিতরে প্রায় ৮৫ ভাগ মানুষ বিভিন্ন সমিতি, এনজিও, ব্যাংক থেকে ঋণ করে নিয়ম অনুযায়ী তাদের কিস্তি চালিয়ে যেতে হচ্ছে! তাই যতই ঘোষণা আসুক তাদের কিস্তির টাকা যোগাড় করতে বাসার বাহিরে কাজে ছুটতেই হবে। অতএব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ও মানুষকে বাসায় বন্দি ঘোষণার আগে দেশের বিভিন্ন এনজিও ব্যাংকের কিস্তি বন্ধ করার প্রয়োজন।
কিস্তি বন্ধের দাবীতে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেইসবুকেও ব্যাপক আলোচনা দেখা গেছে।
এমনতা অবস্থায় যত ঘোষণা আসুক ঋণ নেয়া সাধারণ মানুষেরা কিস্তির টাকা যোগাড় করার জন্য কাজে বের হতে বাধ্য হবে এবং করনোয় আক্রান্ত হবে। কিস্তি বন্ধ না করলে নিরিহ মানুষগুলো করোনায় নয়, কিস্তির জ্বালায় মরবে..।  তাই দোকান ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ও সাধারণ মানুষের বাহিরে বাহির হওয়ার  নিষেধাজ্ঞা জারির আগে এই মুহুর্তে দেশের ঋণদানকারী সকল ব্যাংক ও এনজিও গুলোর কিস্তি বন্ধের জন্য মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এ দেশের ঋণশোধে সংগ্রাম করে চলা ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষেরা।
তবে এ বিষয়ে দু একটা এনজিও প্রতিষ্ঠান জানায় যে, করোনা ভাইরাস স্থিতিশীল না হওয়ার পর্যন্ত নতুন গ্রাহকদের কিস্তি বা ঋণ দেওয়া বন্ধ রাখা হয়েছে।  তারা আরও জানায় যে, দেশের ব্যাংক বন্ধ না হওয়ার আগে গ্রাহকদের কাছ থেকে মাসিক, সাপ্তাহিক এবং দৈনিক কিস্তি নেওয়া বন্ধ করবে না ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠান।

আরও সংবাদ

তালতলীতে দরিদ্র মানুষের বাড়ি খাবার পৌঁছে দিলেন ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক

মোঃ হাইরাজ, বরগুনা প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতলী উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাহাত মিনহাজ দরিদ্র পরিবারের …