বৃহস্পতিবার , এপ্রিল ৯ ২০২০
সংবাদ শিরোনাম
Home » জাতীয় » স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন খোলা থাকায় আতংকে রয়েছে হিলিবাসী

স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন খোলা থাকায় আতংকে রয়েছে হিলিবাসী

মোঃ আব্দুল আজিজ, হিলি প্রতিনিধিঃ হিলি ইমিগ্রেশন ও পোর্ট খোলা থাকায় চরম ঝুকির মধ্যে রয়েছে দিনাজপুরের হিলিবাসী সহ পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষ। ইতিমধ্যে চীনের উহান শহর থেকে সারাবিশ্বে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পরেছে। বিশ্বের প্রায় দেশে এই করোনা ভাইরাসের লক্ষন দেখা দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ভারতে বেশ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে এবং মারা গিয়েছে ৬ জন।

হিলিবাসীরা জানান, যেহেতু ভারত আমাদের নিকটতম দেশ এবং সেই দেশে করোনা ভাইরাস ব্যপকভাবে ছড়িয়ে পরেছে এই জন্য প্রশাসনের কাছে অনুরোধ যেন হিলি স্থলবন্দর এবং ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্ট যাত্রী পারাপার বন্ধ করে দেওয় হয়।

এদিকে ভারত সরকার ১৩ই মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক, অফিসিয়াল এবং বিভিন্ন সংস্থার ভিসা ব্যতীত সব ধরনের টুরিস্ট ভিসা বন্ধ করে দিয়েছে। শুধু মাত্র যেসব পাসপোর্ট যাত্রী দুই দেশে আটকা রয়েছে তারাই শুধু যাতায়াত করছে। এর ফলে ঝুকির মধ্যে রয়েছে হিলিবাসী।

হিলি ইমিগ্রেশন ওসি সেকেন্দার আলী জানান, গত ১৪ই মার্চ থেকে ২০ই মার্চ পর্যন্ত এই চেকপোস্ট দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে পাসপোর্ট যাত্রী আগমন হয়েছে ১ হাজার ৪শ ৬২ জন এবং বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় নাগরিক বর্হিগমন হয়েছেন ৫শ ৭২ জন। বাংলাদেশে ফেরত আসা পাসপোর্ট যাত্রীদের কোন প্রকার হোম কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে কি না সেই বিষয়ে কোন সঠিক তথ্য দিতে পারেননি ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা।

হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার নাজমুস সাঈদ জানান, হাকিমপুর (হিলি) উপজেলায় এখন পর্যন্ত মোট ৬ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে আছে। এখন কোন প্রকার বিদেশ ফেরত নাগরিকের তথ্য আমাদের কাছে নেই।

সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও জানান, হাসপাতালের ফান্ড থেকে স্টাফদের জন্য হাতের গ্লবজ, মাক্স এবং ইউনিফর্ম কেনা হয়েছে। তবে এগুলো তাদের জন্য পর্যাপ্ত না এই জন্য তারা স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে চাহিদা প্রেরন করেছে।

হাকিমপুর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা রাফিউল আলম জানান, ইতিমধ্যে আমি আমার উর্ধতন কর্মকর্তাকে জানিয়েছে। আগামী দুই- একদিরে মধ্যে আমাদনি রপ্তানি ও চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্ট যাত্রী পারাপার বন্ধ করা হবে।

এদিকে দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক, হাকিমপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন উর রশিদ হারুন এবং পৌর মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত তাদের নিজ নিজ ফেসবুকে এলাকার জনগনকে সচেতন করার জন্য বিভিন্ন প্রকার বাণী দিয়েছেন। এমনকি এলাকার জনগনের যেকোন প্রয়োজনে তাদের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করেছেন।

আরও সংবাদ

হিলিতে সরকারি আদেশ অমান্য করায় ২০ জনকে ৭৬ হাজার টাকা জরিমানা

হিলি প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের হিলিতে সরকারি আদেশ অমান্য করায় ২০ জনকে ৭৬ হাজার ২শ’ টাকা জরিমানা …