পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ- পটুয়াখালীতে বিজ্ঞ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মোটা অংকের চাঁদার বিনিময় জমি দখল করে নতুন ঘর নির্মান করে দেয়ার টেন্ডার নেয়ার অভিযোগ উঠেছে কথিত যুবদল নেতা তসলিম মাদবর এর বিরুদ্ধে।সরেজমিনে যার সত্যতা পাওয়া যায়, এছাড়াও গত ৫ আগষ্ট ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের পর থেকে গোটা এলাকা জুড়ে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, ছিনতাই, ভুমিদখল সহ বিভিন্ন অপকর্মের মাধ্যমে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে এই নেতা।জানাগেছে, এ সংক্রান্ত বিষয়ে ভুক্তভোগী মোঃ জাকির হোসেন (৪০) গত ১৭ মার্চ পটুয়াখালী সদর থানায় মোঃ ইব্রাহিম ওরফে রুবেল মোল্লা মোঃ শাহ আলম গাজী ও মোসাঃ সালমা বেগমকে অভিযুক্ত করে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন, যার ডায়েরী নং SL১১১২। থানায় অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, বিবাদীদের সাথে ভুক্তভোগী জাকির হোসেন এর পৈতৃক জমি নিয়ে বিরোধ চলমান। বিবাদীরা জাকির হোসেন এর পৈর্তৃক জমি জোর পূর্বক দখল করার পায়তারা করছে এমনকি তারা রাতের আধারে পাকা ভবন নির্মান করার পায়তারা চালাচ্ছে, যারফলে জাকির হোসেন বিবাদীদের ভয়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞ দেওয়ানী আদালতে একটি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং ৪১/২২ ইং। মামলায় বলা হয়েছে বিরোধীয় জমি নিয়ে বিজ্ঞ আদালতে করা মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয়পক্ষ স্থিতি অবস্থায় থাকতে এবং শান্তি ভঙ্গের কোন কাজ করিলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। অথচ বিবাদীরা গায়ের জোড়ে কথিত যুবদলনেতা তসলিম মাতবর ও তার পেটোয়া বাহিনীর প্রধান মনিরসহ অনেকেই বিরোধীয় জমিতে নতুন পাকা ঘর নির্মান করার উদ্দেশ্য ঘটনাস্থলে ইট, বালু, সিমেন্ট আনার খবর পাওয়ায় যায়। ঘটনাস্থলে পটুয়াখালী সদর থানার এএসআই রাসেল সহ গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত হলে কথিত যুবদল নেতার তোপের মুখে পড়তে হয় সবাইকে। উক্ত ঘটনার বরাত দিয়ে মামলার আরেক বাদী মোঃ ইরা গাজী বলেন, আমরা জমির প্রকৃত মালিক, সালমা এই জমির মালিক না, মামলার এক নাম্বার আসামীর কাছ থেকে ক্রয় করছে, জমিতে স্ট্রে চলমান বলে জানান। বিষয়টি নিয়ে ইউনিয়ন যুবদল নেতা তসলিম মাদবর এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আদালত বুঝিনা আমি যুবদল নেতা তসলিম মাদবর, বাড়ির কাজ চলছে তো চলবেই এখন দেশে আওয়ামী লীগ নাই, আমার নেতা আলতাফ হোসেন চৌধুরী। তিনি আরো বলেন, আপনারা এসেছেন এখন এলাকা থেকে চলে যান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী আজ পটুয়াখালী থেকে চলে যাচ্ছে তার সাথে দেখা করতে হবে আমি বিএনপি নেতা। এ ব্যপারে বিএনপির সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঘর নির্মানের বিষয় যুবদল নেতা তসলিম এর বিষয় জানতে তার মুঠোফোন (০১৭৪১- ০৮৪৯২১) নাম্বারে একাধিক বার ফোন করেও তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। উক্ত ঘটনার ব্যপারে সদর থানার এ,এস,আই রাসেল হোসেন বলেন, আমি সরেজমিনে গিয়েছি যেহেতু জমিজমার বিরোধ তাই কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছি। অদ্য ১৮ মার্চ সন্ধায় উভয় পক্ষের প্রয়োজনিয় কাগজপত্র নিয়ে থানায় থাকার জন্য বলা হয়েছে বলে জানান তিনি।