ময়মনসিংহ থেকে আসা পর্যটক মিল্টন বলেন, পরিবার সহ গতকাল কুয়াকাটায় এসেছি। এখানকার পরিবেশ, লোকজনের আতিথিয়তায় আ মরা মুগ্ধ।পদ্মা সেতুর সুফল ভোগ করছি আমরা ও পর্যটন ব্যবসায়ীরা। তবে ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত এই মহাসড়কটি ফোরলেন হলে আরো অনেক পর্যটক বাড়বে। ঝিনুক দোকানী রফিক বলেন, ঈদের লম্বা ছুটিকে কেন্দ্র করে এ পর্যটন মৌসুমে কুয়াকাটায় ব্যপক পর্যটক আসছে।সকল ব্যবসায়ীর মুখে হাসি ফুটেছে। সাউদ-বিস হোটেলের সত্বাধিকারী মো: সোহেল মিয়া জানান, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারনে এ বছর পর্যটন মৌসুমে এখানে তেমন পর্যটক আসেনি।পর্যটনের সকল ব্যবসায়ী লোকসানে ছিল। আজ অনেক পর্যটক আসছে। আমার হোটেলের ৮০ শতাংশ রুম বুকিং রয়েছে।
কুয়াকাটা হোটেল মোটেল অনার্স এসোসিয়েশন সভাপতি মো: মোতাবেক শরীফ বলেন, আজ পর্যটক বেড়েছে, আগামিকাল আরো পর্যটক আসবে। আমাদের সকল হোটেল অগ্রীম বুকিং রয়েছে।
আজকে প্রায় হোটেলের ৯০% রুম বুকিং রয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় উপজেলা প্রশাসন সহ আমরা সার্বক্ষণিক প্রস্তুত। পর্যটকের আগমনে পর্যটনের সকল ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি দেখা যাচ্ছে। সরকারি ৯ দিনের লম্বা ছুটিকে কেন্দ্র করে ১০ লক্ষাধীক পর্যটকের আগমন ঘটবে বলে তিনি আসা করেন। টুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের ইনচার্জ শাখাওয়াত হোসেন তপু জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তায় আমরা সার্বিক ব্যবস্থা নিয়েছি। বিভিন্ন পর্যটন স্পট গুলোতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে ট্যুরিস্ট পুলিশের বেশ কয়েকটি টিম। পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা দ্বারা মনিটরিং করা হচ্ছে।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, এ বছর লম্বা ছুটির কারনে ব্যাপক পর্যটকের আগমনে আমরা পর্যটকদের নিরাপত্তা জোরদার করেছি। মহিপুর থানা পুলিশ, কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশ, ও কুয়াকাটা পৌরসভার পক্ষ থেকে পর্যটকদের সেবায় সার্বক্ষনিক প্রস্তুত রয়েছে। আজকে ভাল পর্যটক আসছে, আরো আসবে।সরকারি লম্বা ছুটির কারনে বছর এবছর কুয়াকাটায় পর্যটকের মিলনমেলা হবে বলে মনে করেন তিনি।