বিশেষ প্রতিনিধি : বাংলা একাডেমী কর্তৃক আয়োজিত একুশে পদক ২০২৬ ওসমানী মিলনায়তনে ২৬ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার কালে অনুষ্ঠিতি হয়েছে । প্রধান অতিথি হিসেবে শুভ উদ্ধোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংরাদেশ সরকারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংস্কৃতিক মন্ত্রী নিতায় রায় চৌধুরী ও প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম উক্ত অনুষ্ঠানে ৯ জন গুনী ব্যাক্তি ও ১ টি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে বহুল প্রচারিত যায় যায় দিনের সম্পাদক শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীকে ২১ পদক প্রদান করেন, এ সময় শফিকুর রহমান ৩ টি লাল গোলাপ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উপহার দিলে প্রধানমন্ত্রী তাকে অন্তস্থল হতে অভিবাধন জানান।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রবীন তারুন্য বাংলাদেশ চাই এর সভাপতি কবি সাহিত্যিক শাহিদা ইসলাম,কবি রাজিয়া সুলতানা ও মিসেস খৈয়ম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তেব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন শিক্ষা-গবেষণা এবং শিল্প ও সাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকীকরণ করা কখনোই সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ গুণীজনদের হাতে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক তুলে দেওয়ার পর এক বক্তব্যে তিনি এ মন্তাব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি বিশ্বাস করি, শিক্ষা, গবেষণা এবং শিল্প সাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকীকরণ করা কখনোই সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়। শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অর্থাৎ জ্ঞান বিজ্ঞানে সব শাখায় যাতে দেশ এগিয়ে যেতে পারে, নৈতিক মানসম্পন্ন তেমন একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার কাজ করছে।
আমাদের এই যাত্রায় দেশের বিজ্ঞজনদের দিক-নির্দেশনা অবশ্যই প্রত্যাশিত। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক প্রবর্তন করেছিলেন। এটি শুধু একটি পদকই নয় বরং এই পদকের মধ্য দিয়ে ৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ঘটনাবলীগুলোকে স্মরণে আনার পাশাপাশি যেসব বিজ্ঞজন শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা, গবেষণা ও চর্চায় নিজেদেরকে এবং রাষ্ট্র ও সমাজকে সমৃদ্ধ করেছেন, তাদের সঙ্গে আপামর জনসাধারণের পরিচয় ঘটে। তারেক রহমান বলেন, আমাদের জাতীয় ইতিহাসে ফেব্রুয়ারী মাসের গুরুত্ব অপরিসীম। আর একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের স্মারক।
বলা যায়, আমাদের সংস্কৃতি চেতনার প্রাণ প্রবাহ একুশে ফেব্রুয়ারী। একুশে ফেব্রুয়ারি একদিকে মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম, অপরদিকে এটি ছিল জালেমের বিরুদ্ধে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। সুতরাং ফেব্রুয়ারি মানেই আত্মপরিচয় উপলব্ধির মাস। আমাদের শেকড় সন্ধানী মাস। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন রাজবাড়ী ১ আসন থেকে বিজয়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাংস্কৃৃতিক বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।