পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বায়জিদ ইমারত নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। প্রায় এক বছর আগে একই ইউনিয়নের ইটাবাড়িয়া গ্রামের নাহিদা আক্তারের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে দুই দিন আগে স্ত্রী নাহিদা নিখোঁজ হন এবং বাইজিদ থানায় সাধারন ডায়েরীও করেন। শনিবার দুপুরের দিকে বায়জিদ ও তার মা ঘরে ছিলেন। কিন্তু তার মায়ের অগোচরে নিজের কক্ষে গলায় ফাঁস দেয় এই তরুণ।
তার পরিবার ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্ত্রী পরকীয়ায় লিপ্ত হয়ে অন্যের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার সন্দেহে অভিমান করে বায়জিদ আত্মহত্যা করেছে। কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।