ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি, আসিফ জামান :পৌর শহরের হাজীপাড়া দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া হুমায়রা আক্তার মিম (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। শুক্রবার রাতে ওই ছাত্রীর বড় ভাই মো: ফেরদৌস হাসান অন্তর (১৮) সদর থানায় এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যু সংক্রান্ত তথ্য প্রেরন করেন। হুমায়রা আক্তার ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
সদর থানা সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাতে হুমায়রার বড় ভাই মো. ফেরদৌস হাসান অন্তর রাতের খাবারের জন্য বোনকে ডাকতে গিয়ে তার কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ পান। বহুবার ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া না পেয়ে দরজার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে তিনি বোনের ঝুলন্ত পা দেখতে পান। পরে আশপাশের লোকজনের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখে, কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে চাদর পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় হুমায়রা আক্তার মিম ঝুলছিলেন। দ্রুত তাঁকে নিচে নামানো হলেও ততক্ষণে সে মারা গেছেন বলে ধারনা করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ঢাকায় গার্মেন্টসে কর্মরত বাবা-মায়ের অনুপস্থিতিতে বড় চাচা হারুন অর রশিদের বাসায় থেকে পড়াশোনা করতো হুমায়রা ও তার ভাই অন্তর। হুমায়রা আক্তার মিম কিছুদিন ধরে বাবার কাছে একটি মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার আবদার করলেও পরিবারের পক্ষ থেকে ফোন কিনে দেওয়া হয়নি। এতে হতাশা ও ক্ষোভ থেকে পরিবারের সদস্যরা বাইরে থাকার সুযোগে সে আত্মহত্যা করতে পারে বলে ধারণা করছে পরিবারের সদস্যরা।
ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মনির হোসেন বলেন,“প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বাবার কাছে মোবাইল ফোন না পেয়ে মানসিকভাবে হতাশ হয়ে কিশোরী আত্মহত্যা করতে পারে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।