সাজ্জাদ আহমেদ মাসুদ, গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: বিয়ে করা হলো না হাসানের। মেয়ে দেখে গলাচিপা গ্রামের বাড়ি ফেরার পথে চর কাজল লঞ্চঘাটের পল্টুনের বালতি দিয়ে পানি তুলতে গিয়ে তেঁতুলিয়া নদীতে পড়ে যায়। নদীতে পড়ে নিখোঁজের ২০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও উদ্ধার হয়নি হাসান (৩০) নামের এ যুবকের। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার বিকেল ৫ টায় পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরকাজল লঞ্চঘাটে। ঘটনার পর স্থানীয় মানুষ এবং পটুয়াখালী সিভিল ডিফেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি একটি টিম ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রেখেছে। তবে স্রোতের কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়ছেন উদ্ধার অভিযানের পটুয়াখালী সিভিল ডিফেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের টিম লিডার আমিনুল ইসলাম। প্রত্যক্ষদর্শী এবং সিভিল ডিফেন্স ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের ফুলখালী গ্রামের নুরু হাওলাদারের ছেলে হাসান (৩০) বিয়ে করার উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার চরকাজলে যান।
তার সাথে ভগ্নিপতি ইলিয়াসসহ আরো কয়েকজন ছিলো। মেয়ে দেখে দুপুরের খাবার খেয়ে বিকেলে গলাচিপা ফেরার জন্য চরকাজল লঞ্চঘাট আসেন। লঞ্চঘাটের পল্টুনে বালতি দিয়ে পানি তুলতে গেলে তেঁতুলিয়া নদীতে পড়ে যায়। এসময় উপস্থিত যাত্রীরা নদী থেকে হাসানকে উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। পরে তারা ব্যর্থ হয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পটুয়াখালী সিভিল ডিফেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখে। নিখোঁজের ২০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও তেঁতুলিয়া নদীর স্রোতের কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে বলে উদ্ধারকর্মীরা জানায়। এদিকে হাসানকে উদ্ধারের জন্য আত্মীয় স্বজনরা তেঁতুলিয়া নদীর পাড়ে চরকাজল লঞ্চঘাট এলাকায় অবস্থান করছেন।
পটুয়াখালী সিভিল ডিফেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের টিম লিডার আমিনুল ইসলাম বলেন, আমরা মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছি।তেঁতুলিয়া নদীর স্রোতের কারণে দুইবার উদ্ধার অভিযান বন্ধ রাখতে হয়েছে। এখন আবার উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে।