1. [email protected] : adminbackup :
  2. [email protected] : Gk Russel : Gk Russel
  3. [email protected] : stnews :
ধ্বংসের মুখে নারায়ণগঞ্জ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ এর শিক্ষা ব্যবস্থা : দায়ী কে - জনমনে প্রশ্ন - শিক্ষা তথ্য
মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বন্দর থানা শ্রমিক দল ও ২২ নং ওয়ার্ড শ্রমিক দল এর উদ্যোগে গণসংযোগ ও পথসভা লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ বন্দর ২২ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের গণসংযোগ লিফলেট বিতরণ ও পথসভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালী-৩ আসনে নির্বাচন বানচালে দেশী- বিদেশী অপশক্তির হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের অভিযোগ নুরের আ”লীগকে যে প্রক্রিয়ায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে তা আইন ও সংবিধানসম্মত হয়নি: ব্যারিস্টার শামিম পটিয়ার ছনহরা হযরত আছন আলী শাহ্ (র:)বার্ষিক ওরশ ২৭ জানুয়ারী আতায়ে রাসূল সুলতানুল হিন্দ্ হযরত খাজা মাঈনুদ্দিন চিন্তী (রঃ) ১৭ তম ওরশ মোবারক অনুষ্ঠিত পটিয়ায় লাঙ্গল মার্কা ভোট প্রার্থনা করে ফরিদ আহমদ চৌধুরী গনসংযোগ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ০৪ জন সদস্য আটক করল সদর থানা পুলিশ সাউন্ডবাংলা’র একটি বই কিনলে বিনামূল্যে ‘তুমিহীনতার গল্প’ লক্ষ্মীপুরে টেন্ডার ছাড়াই ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন

ধ্বংসের মুখে নারায়ণগঞ্জ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ এর শিক্ষা ব্যবস্থা : দায়ী কে – জনমনে প্রশ্ন

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১১০ Time View
নিজস্ব প্রতিনিধি-  নারায়ণগঞ্জ জেলা শহরের সুনামধন্য বিদ্যাপিঠ হিসেবে আমলাপাড়া এলাকায় গড়ে উঠা  নারায়ণগঞ্জ গালর্স স্কুল এন্ড কলেজটি দিনে দিনে শিক্ষার্থীর সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে, সেই সাথে মেধা শুন্য হয়ে পড়তে দেখা যাচ্ছে। এর পেছনের কারণ হিসেবে অনেকের মতে শিক্ষকদের মধ্যে সাংঘর্ষিক মনোভাব  ও বৈরী সম্পর্ক। সেই সাথে শিক্ষার্থীদের সাথে বিরূপ আচরণ এবং  পাঠদানে অবহেলা। সেই সাথে স্বজনপ্রীতি ও দ্বায়িত্বে অবহেলার কারণ হিসেবে মনে করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে, সাবেক অধ্যক্ষ শীতল চন্দ্র দে এর অবসরের পর থেকে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের মুখে পড়ে যায়। চুক্তি ভিক্তিক ৫ বছরের জন্য গভর্ণিং বোর্ড শীতল চন্দ্র দে কে নিয়োগ প্রদান করলেও তিনি স্থায়ী ভাবে আর চেয়ারে বসার সুযোগ পাননি এর মধ্যে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিলুফা ইয়াসমিন ভারপ্রাপ্ত  অধ্যক্ষের চেয়ার দখল করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন এবং নিলুফা ইয়াসমিন এর অনৈতিক কাজে যারাই  প্রতিবাদ করেছেন তাদের সবাইকে  ষড়যন্ত্রের ফাঁদে ফেলে হেনস্তা করেছেন। তাই এখন তাঁর ভয়ে কেউ  কিছু বলতে সাহস পায়না বা মুখ খুলতে রাজি নন। ফলে স্কুলে  নানা ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি হলে সবাই নিশ্চুপ। আর এতে সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি উন্নয়নের পরিবর্তে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে।
সম্প্রতি অভিযোগ উঠে এসেছে যে, এবারের এসএসসি টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য  শিক্ষার্থীদের থেকে বিষয় ভিক্তিক টাকা আদায় করে পুনরায় পরীক্ষা নিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করার  সুযোগ তৈরি করে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। সেই টাকা স্কুল ফান্ডে জমা না হয়ে নিজেদের পকেট ভারি করছেন বলে অনেকের ধারনা। এই
টাকা আদায়ের কৌশলটি  ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল রাজ্জাক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিলুফা ইয়াসমিন এর যোগসাজসে হচ্ছে।
এ ছাড়াও নানা ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ স্কুলে অহরহ ঘটে চলছে বলে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মুখে মুখে গুঞ্জন।
 এই বিষয়টি নিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, কিছু দিন আগে   মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসা শিক্ষা শাখায় মোট ৬০ জন শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে টেস্ট পরীক্ষায় সব বিষয়ে পাস করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৯ জন। ৪১ জন বিভিন্ন বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। আমরা তাদেরকে  সুযোগ দেয়ার জন্য
ফেল করা বিষয়গুলো পুনরায় পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা করেছি। কেননা বোর্ডের নির্দেশ মতে কোন ফেল করা ছাত্রদের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া যাবে না। তাই ফেল করা বিষয় প্রতি আমরা শিক্ষার্থীদের থেকে  ২০০ টাকা করে চার্জ আদায় করছি। আর এই টাকা খরচ হবে তাদের পূনরায় পরীক্ষা নিতে প্রশ্ন পত্র তৈরী, খাতা ও শিক্ষকদের পারিশ্রমিক। উত্তোলনকৃত টাকা থেকে যা খরচের পর বর্ধিত টাকা স্কুলের ফান্ডে জমা হবে বলে জানান।
স্কুল শিক্ষকদের মধ্যে গ্রুপ দ্বন্দের বিষয় সম্পর্কে তিনি জানান , সহকারী প্রধান শিক্ষকের সাথে অন্যান্য শিক্ষদের দ্বন্দ্ব মিটাতে একাধিক বার বসেও কোন সমাধান করা সম্ভব হয়নি। তবে আমাদের এবার গভর্ণিং বোর্ড এর নতুন যে কমিটি হবে তারা বিষয়টি দেখবেন বলে আশা রাখি।
শিক্ষার মান ও শিক্ষার্থী সংখ্যা  কমে যাওয়ার বিষয় সম্পর্কে তিনি জানান, আমাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দ্বায়িত্ব দিলেও আমি পূর্বের ফান্ডের তহবিল এখনো বুঝে পাইনি। ফলে স্কুলের প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র ক্রয় করতে পারছি না।স্কুলের  কম্পিউটার ল্যাবটি অকেজো হয়ে আছে। অপরদিকে পুরনো ভবনটি ঝুঁকি পূর্ণ হয়ে গেছে। সবদিক বিবেচনা করলে অর্থ সংকট রয়েছে বলে মতামত ব্যক্ত করেন।
স্কুলের  অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয় নিয়ে  বলেন, আমি দ্বায়িত্ব গ্রহণের পর  খোঁজ খবর নিয়ে যতটুকু সম্ভব যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করছি।
নারায়ণগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আতিকুর রহমান এর সাথে স্কুলের অনিয়ম,  দুর্নীতি ও শিক্ষার   বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার  এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে তেমন কিছু জানা ছিলো না, তবে এখন অবগত হলাম। আমি স্কুলে গিয়ে পরিদর্শন করে বিষয় গুলো  দেখবো এবং নিয়ম অনুয়ায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করিবো।
স্কুলের  শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় এলাকাবাসী তাদের  অভিমত ব্যক্ত করে বলেন সুনামধন্য এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার  মানউন্নয়ন ও সুনাম অক্ষুণ্ণ থাকুক আমরা এটাই চাই। তবে শিক্ষকদের মধ্যে কেউ ক্ষমতা  বা প্রভাব দেখাতে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে যাক তা আমরা কখনো চাইনা। তাদের  স্বার্থের কারনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট হোক তাহা আমাদের কাম্য নয়। স্কুলটির সুনাম বয়ে আনতে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনা করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সাইবার প্লানেট বিডি