1. [email protected] : adminbackup :
  2. [email protected] : Gk Russel : Gk Russel
  3. [email protected] : stnews :
নান্দাইলে সাড়ে ৪ লাখ মানুষের ভরসা ৫০ শয্যার হাসপাতালের ভিতরের পরিবেশ যেন বস্তিতে রূপ নিয়েছে - শিক্ষা তথ্য
রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পার্বত্য চট্টগ্রামে শাসনবিধি ১৯০০ বাতিলসহ ৭ দফা দাবিতে পিসিএনপি’র স্মারকলিপি সম্পদের পাহাড় গড়েছেন উপদেষ্টারা মহান ১৭ ফাল্গুন ২ মার্চ পটিয়া সাতগাছিয়া দরবার শরীফে বার্ষিক ওরশ শরীফ রূপগঞ্জে বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ পুলিশ ও সাংবাদিকসহ আহত ২০, মহাসড়ক ৬ ঘন্টা অবরুদ্ধ বন্দরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু র‍্যাব-৬ সাতক্ষীরা থেকে ১ হাজার বোতল ফেনসিডিলসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে বন্দরের চিড়াইপাড়ায় কমিউনিটি সেন্টারের উদ্বোধন করেছেন নার্গিস মাকসুদ একুশে পদক উদ্ধোধন অনুষ্ঠানে কবি ও সাহিত্যিক শাহিদা ইসলামের উপস্থিতি কলাপাড়ায় গভীর রাতে বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান, ৪ জনকে কারাদণ্ড কলাপাড়ায় দূধর্ষ চুরি

নান্দাইলে সাড়ে ৪ লাখ মানুষের ভরসা ৫০ শয্যার হাসপাতালের ভিতরের পরিবেশ যেন বস্তিতে রূপ নিয়েছে

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৪৬ Time View

শামছুল হুদা, নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ​ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিল ধারণের জায়গা নেই। তীব্র শীতের মাঝেও হাসপাতালের শয্যা না পেয়ে রোগীরা বারান্দার মেঝেতে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছেন। প্রায় সাড়ে চার লক্ষ মানুষের এই জনপদে চিকিৎসা সেবার এমন নাজুক চিত্র জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। ​সরেজমিনে এবং ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েকবছর ধরে হাসপাতালে রোগীর চাপ অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে। শয্যা খালি না থাকায় নারী ও শিশুসহ গুরুতর অসুস্থ রোগীদেরও হাসপাতালের খোলা বারান্দায় থাকতে হচ্ছে। হাসপাতাল যেন বস্তিতে রূপ নিয়েছে। এই হাড়কাঁপানো শীতে খোলা বারান্দায় মানুষ কাতরাচ্ছে।

এমন অবস্থায় রোগীরা সুস্থ হওয়ার চেয়ে আরও অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে আছে। উপজেলার ৩২৬ বর্গকিলোমিটার এলাকায় প্রায় সাড়ে চার লক্ষ মানুষের বসবাস। অথচ সরকারি এই হাসপাতালটি মাত্র ৫০ শয্যাবিশিষ্ট। ২০২১ সালে ১০০ শয্যার অনুমোদন হলেও পাঁচবছরে এটি বাস্তবায়নের কোনো নমুনা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে পর্যাপ্ত ঔষধ নেই এবং অনেকগুলো নিয়মিত বন্ধ থাকে। এলাকায় মানসম্মত বেসরকারি ক্লিনিক না থাকায় গরিব ও মধ্যবিত্ত মানুষের একমাত্র ভরসা এই উপজেলা হাসপাতাল।

​স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জনসংখ্যার তুলনায় শয্যা সংখ্যা অত্যন্ত অপ্রতুল। কয়েকজন রোগী বলেন, “হাসপাতালে আসার পর সিট না পেয়ে মেঝেতে থাকতে হচ্ছে। এই শীতে সুস্থ মানুষের টিকে থাকাই দায়, সেখানে অসুস্থরা কীভাবে খোলা জায়গায় চিকিৎসা নেবে?” ​এই ভয়াবহ সংকট নিরসনে হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্য সেবা সচল করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সাইবার প্লানেট বিডি