1. [email protected] : adminbackup :
  2. [email protected] : Gk Russel : Gk Russel
  3. [email protected] : stnews :
পটিয়ায় খাজা গরীবে নেওয়াজ বার্ষিক ওরশ সম্পন্ন: ১০ হাজার মানুষের মাঝে তবরুক বিতরণ - শিক্ষা তথ্য
সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বড় দল বলতে একসময় আওয়ামী লীগই ছিল, এখন তারা নিষিদ্ধ : মির্জা ফখরুল তিস্তাসহ অভিন্ন সব নদীতে ভারতের কাছে পানির হিস্যা আদায় করব : মির্জা ফখরুল মধুপুরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চুনারুঘাটে আওয়ামীলীগ নেতা আবদাল চেয়ারম্যান গ্রেফতার চুনারুঘাটে ওয়ার্ড যুবলীগের সহ-সভাপতি কাহহার পুলিশের হাতে আটক বাংলাদেশে কোনো শক্তি নেই আমাদের পরাজিত করবে: সাখাওয়াত রূপগঞ্জে সেনাবাহিনীর অভিযানে দণ্ডপ্রাপ্ত তিন অপরাধী গ্রেফতার পটিয়ায় খাজা গরীবে নেওয়াজ বার্ষিক ওরশ সম্পন্ন: ১০ হাজার মানুষের মাঝে তবরুক বিতরণ পটিয়ায় মহোৎসবে এম এয়াকুব আলী:সাম্প্রদায়িক-সম্প্রীতি বজায় রাখতে চাতা মার্কা বিজয় নিশ্চিত করার আহবান ইসিতে আপিল শুনানি, প্রার্থিতা ফিরে পেলেন নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনের সাংসদ সদস্য প্রার্থী মাকসুদ হোসেন

পটিয়ায় খাজা গরীবে নেওয়াজ বার্ষিক ওরশ সম্পন্ন: ১০ হাজার মানুষের মাঝে তবরুক বিতরণ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২৮ Time View

পটিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের পটিয়া পৌর সদর কর্ণফুলী কমিউনিটি সেন্টারে ১০ জানুয়ারি শনিবার  ২০ রজব সুলতানুল হিন্দ, গরিবে নেওয়াজ হযরত খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) পবিত্র বার্ষিক ওরশ মহাসমারোহে সম্পন্ন হয়েছে। ওরশ উপলক্ষে দিনব্যাপী খতমে কুরআন, খতমে গাউসিয়া, খতমে খাজা ও সেমা মাহফিল, কাওয়ালী গানের আয়োজন  করে। এতে দেশ  বরেন্য ওলামাগন বিশেষ মোনাজাত   শেষে ভক্তদের মাঝে তবরুক পরিবেশন করা হয়। ওরশে আনুমানিক  ১০ হাজার মানুষের সমাগম ঘটে এবং তবরুক গ্রহণ করে। এসময় উপস্থিত ছিলেন পটিয়া  খাজা গরীবে নেওয়াজ ওরশ পরিচালনা কমিটির সভাপতি কমিশনার আলহাজ্ব  নুরুল ইসলাম, প্রধান উপদেষ্টা শামসুল আলম, মোরশেদুজ্জান আমেরী, আবুল কাসেম মাইজ্জা,

সহ সভাপতি আবদুল জব্বার সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক আবদুল কুদ্দুস, স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মতিন,জানে আলম, আবুল বশর,নুর  মোহাম্মদ  মাঝি, ফরিদ আহমদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ নবী, অর্থ সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন, নুরুল ইসলাম মিশু,গাজী মনির,আবুল হাসেম মিন্টু, তৈয়ব কোম্পানি, জসিম উদ্দিন,  নাজিম কোম্পানি, আবদুল মন্নান, নাছির উদ্দীন ,হারুনুর রশিদ, মোস্তাক আহমদ, নুরুল আলম,  মফিজুর রহমান, হেলাল উদ্দিন, জাহেদ হাসান, মুহাম্মদ ইসমাইল,  হাসেম, শওকত আকবর মুন্না,  ইদ্রিস পানু, রহমত আলী, সাহেদ, মোজাম্মেল, হাসান, জাফর বাবুচি,লোকমান, ফোরকান বাবু, মামুন প্রমুখ। উক্ত অনুষ্ঠানে খাজা গান পরিবেশন করেন আহমদ নুর আমেরী, শাহজাহান কাওয়ালী।উপমহাদেশের বিখ্যাত সুফি সাধক।

তিনি ১১৪১ সালে খোরাসানে জন্মগ্রহণ করেন। খাজা গরীব নাওয়াজ নামেই তিনি বহুল প্রসিদ্ধ। পিতার নাম সৈয়দ খাজা গিয়াস উদ্দিন, মাতার নাম সৈয়দা উম্মুল ওয়ারা মাহিনুর। পিতা ও মাতা উভয় দিক থেকে তিনি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র বংশধরের  সদস্য। ১৫ বছর বয়সে এতিম বালক মঈনুদ্দিন চিশতি উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ফলের বাগানের পরিচর্যা ও দেখাশোনা করে জীবিকা নির্বাহ করতে শুরু করেন। একদিন সে বাগানের পরিচর্যাকালে হজরত ইব্রাহিম কান্দুজি (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) নামে একজন আল্লাহর ওলি সেখানে উপস্থিত হন। খাজা বাবা দরবেশকে তাজিমের সঙ্গে বসিয়ে তৃপ্তি সহকারে বাগানের ফল দিয়ে আপ্যায়ন করেছিলেন। দরবেশ খুশি হয়ে নিজ ঝুলি থেকে এক টুকরো রুটি বের করে নিজ মুখে চিবিয়ে কিছুটা বালক খাজা মঈনুদ্দিন (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)কে খেতে বললেন। খাজা বাবাও পরম আদব ও ভক্তির সঙ্গে সাগ্রহে খেয়ে নেন।

সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মনের রাজ্যে খোদায়ী নূরের আলোকচ্ছটায় ঐশী প্রেমের প্রবল তরঙ্গ বইতে শুরু করে। যার ঢেউ এবং সিলসিলা আজ অবধি চলমান। খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)এর কোটি কোটি অনুসারীর মধ্য দিয়ে এই আল্লাহ প্রেমের তরঙ্গ প্রবাহিত হয়ে আসছে। সেই ফল খাওয়ার পর আধ্যাত্মিকতার অদম্য আকর্ষণে খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) বাগান বিক্রি করে তা আল্লাহর নামে দান করে সামান্য খরচ নিয়ে অজানার উদ্দেশে বেরিয়ে পড়েছিলেন। তিনি আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্বেষায় নিমগ্ন হয়েছিলেন। আল্লাহর প্রেমে ব্যাকুল হয়ে তিনি দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়াতে লাগলেন। বুখারা, ইরাক, নিশাপুর প্রভৃতি জায়গায় যেখানে ওলি, বুজুর্গ ও দরবেশের সন্ধান পেয়েছেন সেখানেই তিনি গিয়েছেন। তিনি ইলমে মা’রেফাত অর্জনে আল্লাহর সন্ধানে সফর অব্যাহত রাখেন।

এভাবে হযরত খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) একবার বুখারা থেকে নিশাপুরে আসেন। নিশাপুর এসে এখানকার ‘হারুন’ নামক একটি ছোট শহরে যুগশ্রেষ্ঠ ওলি হযরত ওসমান হারুনি (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) এর সন্ধান পান। এই ওলি ছিলেন হাজী শরিফ জিন্দানি (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)এর শিষ্য ও প্রধান খলিফা। তিনি ছিলেন তৎকালীন ইলমে মা’রেফাতের রহস্যজ্ঞানী মহান আধ্যাত্মিক তাপস। খাজা গরিবে নাওয়াজ এ মহাপুরুষের দরবারে উপস্থিত হন। একান্ত আগ্রহ নিয়ে তাঁর নিকট দীক্ষা গ্রহণের সুযোগ পান এইভাবে বিশ্বব্যাপি ইসলাম প্রচার করেন খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি রহমাতুল্লাহি আলাইহি)। 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সাইবার প্লানেট বিডি