ক্রাইম রিপোর্টার : বান্দরবান জেলা যুবদলের সভাপতি জহির উদ্দিন মাসুমের বিরুদ্ধে দখল বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানিয়েছে মাসুম তার সহযোগীরা দুইটি সমিতি জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ মাসুমের নেতৃত্বে একটি চক্র জীপ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কে মারধর করে সমিতির অফিস দখল করে। এবং সাধারণ সদস্যদের বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখিয়ে সভাপতির পদ দখল করে নেয়। এবং বান্দরবান সিএনজি মাহিন্দ্রা সমিতির সভাপতি ছিলেন আওয়ামী লীগের মেয়র শামসুল ইসলাম উনাকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে বান্দরবান সিএনজি মাহিন্দ্রা মালিক সমিতির সভাপতির পর থেকে সরিয়ে দেয়। বান্দরবান সিএনজি মাহিন্দ্র মালিক সমিতি নির্বাচন দেওয়ার কথা বলে নির্বাচন দেয় নাই। এবং বিএনপি’র আরেক নেতা সভাপতির প্রার্থী ছিলেন উনাকে জহির উদ্দিন মাসুমের বাহিনীর লোকজন এসে ওই সভাপতির প্রার্থীকে লাঞ্ছিত করে সমিতির অফিস থেকে বিতাড়িত করে। সাধারণ সদস্য রা এ বিষয়গুলো নিয়ে প্রতিবাদ করলে জহির উদ্দিন মাসুমের বাহিনীর লোকজন তাদেরকে বিভিন্নভাবে হেনস্থার স্বীকার করেন। এবং ৫ই আগস্টের পরে বিভিন্ন লোক জনের কাছ থেকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় । এবং বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি অফিসে গিয়ে চাদা দাবী করেন। এবং বিভিন্ন আবাসিক হোটেল থেকে জহির উদ্দিন মাসুমের নেতৃত্বে লোকজন গিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠে। বান্দরবান জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সাথে এ বিষয়গুলো জানতে চাইলে তারা বলেন বান্দরবান জেলা যুবদলের সভাপতি জহির উদ্দিন মাসুম অন্যায় করে থাকলে সেটি তার ব্যক্তিগত বিষয়। সে যদি কোন অপরাধ করে থাকে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার শাস্তি হওয়া দরকার। বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান বারবার একটি কথা বলেছেন কোন দখলদারি করা যাবে না যদি কেউ করে থাকে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।