নিজস্ব প্রতিবেদন : নারায়ণগঞ্জের বন্দরের কামতাল এলাকায় মোবাইল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে শালিস বৈঠক থেকে সংঘর্ষের জেরে মাদক ব্যবসায়ী সোহরাবের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী হামলা, বাড়িঘর ভাংচুর, নারী ফরিদা বেগম (৪৮) কে, মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মোঃ ফয়সাল আহমেদ (৩০), পিতা- মোঃ তাওলাদ হোসেন, সাং- রায়ের বাগ, লাঙ্গলবন্দ, ধামগড়, থানা- বন্দর, জেলা- নারায়ণগঞ্জ। এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন—১. মোঃ সোহরাব (৪৮), পিতা- মৃত ইদ্রিস আলী, ২. আবু সিদ্দিক (৩০), পিতা- আক্তার হোসেন, ৩. মোঃ সোলাইমান (৩০), পিতা- মোঃ দেলোয়ার হোসেন, ৪. মনির হোসেন (৪৫), পিতা- রেজাউল করিম ওরফে কবিরাজ, ৫. মোঃ হৃদয় (২৬), পিতা- মৃত মোক্তার হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জন। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, সম্প্রতি এলাকায় একটি মোবাইল চুরির ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার বিচার করতে স্থানীয় মেম্বারের উপস্থিতিতে একটি শালিস বৈঠকের আয়োজন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, সোহরাব কৌশলে মোবাইল চোরের কাছ থেকে প্রায় ৩০ হাজার টাকা নিয়ে নেন। পরবর্তীতে শালিসে বিষয়টি উঠলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, সোহরাব তার সহযোগীদের নিয়ে বাড়িতে হামলা চালিয়ে দরজা-জানালা ভাঙচুর করে, আসবাবপত্র তছনছ করে এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায় যাহার মূল্য ও ক্ষয়ক্ষতির আনুমানিক পরিমান ৬,০০,০০০ টাকা ।
এ সময় তাওলাদ হোসেনের স্ত্রী ফরিদা বেগম (৪৮) কে, মারধর করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোহরাবের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে এবং তিনি একাধিক মামলার আসামি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। তারা অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এলাকাবাসী এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।