1. [email protected] : adminbackup :
  2. [email protected] : Gk Russel : Gk Russel
  3. [email protected] : stnews :
সাব্বির আলম হত্যা মামলায় জাকির খান বেকসুর খালাস - শিক্ষা তথ্য
শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বন্দরের চিড়াইপাড়ায় কমিউনিটি সেন্টারের উদ্বোধন করেছেন নার্গিস মাকসুদ একুশে পদক উদ্ধোধন অনুষ্ঠানে কবি ও সাহিত্যিক শাহিদা ইসলামের উপস্থিতি কলাপাড়ায় গভীর রাতে বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান, ৪ জনকে কারাদণ্ড কলাপাড়ায় দূধর্ষ চুরি পাঁচ মামলায় জামিন পেলেন আইভি, এখনই বের হতে পারছেন না জেলায় সেরা তালিকার ধারাবাহিকতায় আবারও শীর্ষে গলাচিপা নূতন জামে মসজিদ সংলগ্ন আলিম মাদ্রাসা মাদকসহ যেকোনো অপরাধের সাথে কোন আপোষ নয়…এবিএম মোশাররফ হোসেন, এমপি লামায় বন্য হাতির আক্রমণে ধানক্ষেতে কৃষকের মৃত্যু র‌্যাব-৬ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে দুটি প্রতিষ্ঠানর জরিমানা ও একটি সিলগালা করেন রূপগঞ্জে বিগত ১৭ বছরে সরকারী খালগুলো দখল থেকে পুনরুদ্ধার ও মাদক বন্ধ করা হবে -এমপি দিপু ভুঁইয়া

সাব্বির আলম হত্যা মামলায় জাকির খান বেকসুর খালাস

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ২৬৪ Time View

নারায়ণগঞ্জের বহুল আলোচিত ব্যবসায়ী সাব্বির আলম খন্দকার হত্যা মামলায় সাবেক ছাত্রদল নেতা জাকির খানকে বেকসুর খালাস প্রদান করেছে আদালত। একই সাথে এই মামলার সকল অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সারে ১১টার দিকে এই রায় ঘোষণা করেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালত মমিনুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ের তথ্যটি লাইভ নারায়ণগঞ্জকে নিশ্চিত করেছেন কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. কাইউম খান। এর আগে, সকাল ১১টায় আদালতে আনা হয় জাকির খানকে। এসময় হাজারো কর্মী সমর্থক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত হলে পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন ব্যবসায়ী নেতা সাব্বির আলম খন্দকার । এ হত্যাকান্ডের পর তৎকালীন জেলা বিএনপির সভাপতি ও বর্তমান তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব এবং নিহতের বড় ভাই তৈমুর আলম খন্দকার বাদী হয়ে সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নামে ফতল্লা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর মোট ৯ জন তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়। পরবর্তিতে সিআইডির এএসপি মসিহউদ্দিন দশম তদন্তকারী কর্মকর্তা দীর্ঘ প্রায় ৩৪ মাস তদন্ত শেষে তিনি ২০০৬ সালের ৮ জানুয়ারী আদালতে ৮ জনকে আসামি করে চার্জশীট দাখিল করেন। এতে মামলা থেকে সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিন, তার শ্যালক জুয়েল, শাহীনকে অব্যাহতি দিয়ে সাবেক ছাত্রদল সভাপতি জাকির খান, তার দুই ভাই জিকু খান, মামুন খানসহ মোট ৮ জনকে আসামি উল্লেখ করা হয়। এ চার্জশিটে মামলার প্রধান আসামি গিয়াস উদ্দিনকে মামলা থেকে বাদ দেওয়ায় মামলার বাদী তৈমুর আলম খন্দকার চার্জশিটের বিরুদ্ধে ওই বছরের ২৪ জানুয়ারি আদালতে নারাজি পিটিশন দাখিল করেন। নারাজি পিটিশনে তৈমূর আলম বলেছিলেন, ‘গিয়াসউদ্দিনই সাব্বির আলম হত্যাকাণ্ডের মূল নায়ক। গিয়াসউদ্দিন ও তার সহযোগীদের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা একটি গোঁজামিলের চার্জশিট দাখিল করেছেন।’এরপর থেকে ৫ বছরের অধিক সময় ধরে নারায়ণগঞ্জ বিচারিক হাকিম আদালতে (ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট) মামলার শুনানি চলে আসছিল। গত ২০১১ সালের অক্টোবর মাসে তৈমুর আলম খন্দকার আদালতে দাখিলকৃত না রাজি পিটিশনটি আবেদন করে প্রত্যাহার করে নেন। নারাজি পিটিশন প্রত্যাহারের কারণে সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন এখন আর মামলায় অভিযুক্ত নেই। ফলে সিআইডি ২০০৬ সালের ৮ জানুয়ারি আদালতে যে ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছেন তার উপর ভিত্তি করেই মামলাটি পরিচালিত হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সাইবার প্লানেট বিডি