1. [email protected] : adminbackup :
  2. [email protected] : Gk Russel : Gk Russel
  3. [email protected] : stnews :
স্বাধীনতা সংগ্রামের অন‍্যতম সংগঠক সিরাজুল আলম খানের জন্মদিন পালন করেছে জাতির দাদা সিরাজুল আলম খান অনুসারী পরিষদ বাংলাদেশ - শিক্ষা তথ্য
সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এমপি এজাজ খানকে ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন এর পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল ৬ মামলা ৭ বছরেরও প্রত্যাহার হয়নি, ওসি প্রদীপ রাজার হালে রূপগঞ্জে সড়কের পাশে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, তবুও থামানো যাচ্ছে না মদনপুরের চাঁদাবাজ গ্যংদের বিকাশের এজেন্ট কর্মী কাছ থেকে তিন লক্ষ টাকা ছিনতাই পিআরও হিসেবে সাংবাদিক নিয়োগের প্রস্তাব সচিবালয়ে জমা সরকারি নির্দেশ অমান্য করে চলছে মদনপুরের ‘ড. আফজাল হোসেন স্কুল এন্ড কলেজ’ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জিনামেজু অনাথ আশ্রমে র‍্যালি ও দেয়ালিকা প্রকাশ পটিয়ায় বেষ্ট বাংলা ট্রাভল এন্ড ট্যুরস যাএা শুরু: বিদেশ ভ্রমণে হয়রানি মুক্ত নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্টান তারেক রহমানের দুর্নীতির বিরুদ্ধে বড় বার্তা মতামত: ডঃ জিয়াউদ্দিন হায়দার

স্বাধীনতা সংগ্রামের অন‍্যতম সংগঠক সিরাজুল আলম খানের জন্মদিন পালন করেছে জাতির দাদা সিরাজুল আলম খান অনুসারী পরিষদ বাংলাদেশ

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৮৪ Time View

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজঃ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম তথা ষাট ও সত্তরের দশকের ছাত্র রাজনীতির অন্যতম সংগঠক সিরাজুল আলম খানের রাজনৈতিক ভাবনার নতুন দিক উন্মোচন করেছেন তার আদর্শে দিক্ষিত অনুসারী জেএসএফ -বাংলাদেশ এর সংগঠক হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন । তিনি বলেছেন, সিরাজুল আলম খান দাদা ভাই তার জীবনকে উৎসর্গ করেন জাতির জন্য। তিনি কোনো রাজনৈতিক নেতার বক্তৃতা শুনে নিজের গন্তব্য নির্ধারণ করেননি। তিনি ছিলেন প্রচলিত ধারার বাইরের মানুষ। তিনি যেখান থেকে বাংলাদেশকে দেখতেন, যে দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মানুষের ভবিষ্যৎ বিশ্লেষণ করতেন তা প্রচলিত রাজনৈতিক দলনেতাদের সঙ্গে মিলবে না। রাজনৈতিক নেতারা যে প্রেক্ষিতে দল গড়ে তুলে রাজনৈতিক সুবিধা ও ক্ষমতা ভোগ করে এগুলোর কোনোকিছুই সিরাজুল আলম খানকে ছুঁতে পারেনি। রাষ্ট্র জন্ম দেয়ার পরক্ষণেই আমরা দেখেছি রাজনৈতিক দলকে দলপ্রধানের ব্যক্তিগত হাতিয়ার বানানোর প্রক্রিয়া। এই সত্য সিরাজুল আলম খান উন্মোচন করে গেছেন।নিউইয়র্কে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের অন্যতম রূপকারও সংগছক সিরাজুল আলম খানের ৮৫তম জন্মদিন পালন করেছে জাতির দাদা সিরাজুল আলম খান পরিষদ ।গত বুধবার ৭ জানুয়ারি ২০২৬,সন্ধ্যায় ষাট ও সত্তরের দশকের শীর্ষস্থানীয় ছাত্রনেতার জন্মদিন উপলক্ষে নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের -এ পালিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতির দাদা সিরাজুল আলম খান পরিষদের আহবায়ক ও জেএসএফ- বাংলাদেশ এর সংগঠক হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন ।। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আমেরিকান আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন-এর সভাপতি ও বাপসনিউজ এডিটর সিনিয়র সাংবাদিক ও লায়ন হাকিকুল ইসলাম খোকন ।বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংবাদিক সহিদ রাজু,জাগপা”র কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি একেএম রহমতুল্লাহ ভূঁইয়া এবং সমাজসেবক হাসান প্রামূখ।খবর আইবিএননিউজ। প্রধান অতিথি সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন বলেন, সত্তরের নির্বাচনে বাংগালিরা যখন ৬ দফার পক্ষে জনমত সৃষ্টি করে শায়ত্বশাসন আন্দোলনটাকে ত্বরান্বিত করছিল,তখন পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ট জনগণ পূর্ব পাকিস্তানীদের রায় আমাদের পক্ষে আসে। তখন সেই পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেয়ার মতো লোকও খুব কম ছিল। এত প্রভাব ছিল মুসলিম লীগের। সেই সময়ও এই ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দই নির্বাচনে জয়লাভের জাগরণ সৃষ্টি করে। আমরা সেই যুবশক্তিকে ভুলে গেছি। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের রাজনৈতিক ইতিহাসে রাখা হচ্ছে না। রাজনৈতিক দলগুলোতে রাখা হচ্ছে না। মানা হচ্ছে না। দেশ জন্ম হওয়ার আগে শ্লোগান ছিল গণতন্ত্রের। গণতন্ত্রের জন্য আমরা এত বেশি যৌক্তিক অবস্থানে ছিলাম, সেই মানুষ আমরা যারা কোনোদিন অস্ত্র দেখিনি সামরিক পোশাক দেখিনি তারাই পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে জয়ী হয়েছি। তিনি বলেন, রাষ্ট্র স্বাধীনের পর বড়রা নের্তৃত্ব করবে। নেতারা নেতৃত্ব করবেন সেটিই স্বাভাবিক। কিন্তু ৭০ সনে পাকিস্তানী নেতৃত্ব করবার জন্য বা পার্লমেন্টে যাওয়ার জন্য যাদের আমরা নির্বাচিত করি তাদের দিয়েই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠন করা হয়। সেটি কি বাংলাদেশের ছিল না কি পাকিস্তানের ছিল? সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন বলেন, আমরা রাষ্ট্র বুঝতাম না। এর আগে রাষ্ট্র গঠন করিনি। রাষ্ট্র পরিচালনায় ছিলাম না। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু নেতৃত্বেই সরকার গঠন করা হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন বলেন,”৭২ এর সরকারটা মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত বাংলাদেশ সরকার হবার কথা। মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা অংশ নিয়েছেন, যারা সংগঠক হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছেন তাদের মাধ্যমে না হয়ে পাকিস্তানী পার্লিমেনেটে দায়িত্ব নেয়ার জন্য নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের নয়মাসে প্রতিটি মানুসের সাহস, দেশপ্রেম শত্রুকে প্রতিরোধ করার যে ক্ষমতা ও চেতনার যে অভূতপূর্ব যে পরিবর্তন হয়, সেই অভিজ্ঞতা যাতে স্বাধীন দেশের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় কাজে না লাগানো হয়, সেই চক্রান্তের অংশ হিসেবে পাকিস্তানপন্থী জনপ্রতিনিধিদেরকে দায়িত্ব দেয়া হয়। আর যেসব ছাত্র যুবকরা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছে তাদের স্বপ্ন ও চেতনাকে ধুলিস্যাৎ করা হয়েছে একটি শ্লোগান দিয়ে ‘এক নেতা এক দেশ, বঙ্গবন্ধুই বাংলাদেশ’। তিনি বলেন, এখন বুঝতে পারি কেন আমরা পরাজিত হলাম। কেন আজ বাংলাদেশ আমাদের নেই। তিনি বলেন, আমরা শিখিনি কীভাবে রাষ্ট্র চালাতে হয়। যে রাষ্ট্র জন্ম দিলাম সেখানে শুধু একজন নেতা থাকবে, আর কোনো নেতা থাকবেন না। কাউকে স্বীকার করা হবে না। আর কোনো নেতা গড়ে উঠতে দেয়া হবে না। উপরোন্তু অন্যদের বিরুদ্ধে পুলিশ লেলিয়ে দেয়া হবে। তাদের বিরুদ্ধে রক্ষীবাহিনী লেলিয়ে দেয়া হবে। দেশ মাতৃকার জন্য যুদ্ধ করা তরুণদের গু-া বানিয়ে তাদের হাতে অস্ত্র দিয়ে বাকিদের হত্যা করার তৎপরতা যখন শুরু হয়েছে তখনই স্পষ্ট হয়ে গেছে, এই রাষ্ট্র আর আমাদের নেই। আমরা আবার পরাধীন হয়ে গেছি। রাষ্ট্র জন্মের পরেই এই ধারা চলে এসেছে । আলোচনা সভার শুরুতে প্রয়াত সিরাজুল। আলম খান দাদাভাই,প্রয়াত সকল জাতীয় নেতা,মহান ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৬২, ৬৪ এর ৬ দফা, এগারো দফা শিক্ষা আন্দোলন ও স্বাধিকার আন্দোলন, ৬৯ এর গনঅভ্যুত্থান, আগড়তলা ষড়যন্ত্র মামলা, ৭১এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৫ই আগষ্ট, ২১শে আগস্ট, ৩রা নভেম্বরের নিস্ঠুর হত্যাকান্ড এবং স্বৈরাচার বিরোধী ,বিষম্য বিরুধী এবং সকল গনতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আত্মত্যাগী বীর এবং সম্ভ্রমহারা ২ লক্ষাধীক মা-বোনদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাড়িয়ে ১মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।শেষে সবাইকে নৈশভোজে আপ্যায়ন করা হয় ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সাইবার প্লানেট বিডি