স্টাফ রিপোর্টারঃ- অরাজকতায় দেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে আর নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ভাড়াটে খুনি অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন দেলু রাজনৈতিক ছত্র ছায়ায় আধিপত্য বিস্তার করে বিভিন্ন এলাকায় হুন্ডার মহড়া দিয়ে মানুষকে আতংকিত ও শংকিত করে তুলছে। অথচ এই দেলুর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা সহ অস্ত্র, মাদক, ডাকাতি, মারামারি এবং বিভিন্ন অপরাধের মামলা থাকলেও পুলিশ গ্রেফতার করছেনা বলে অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী দেলোয়ার হোসেন দেলুর বিরুদ্ধে অস্ত্র ও বিষ্ফোরক মামলা চলমান রয়েছে। হত্যা ও ডাকাতি মামলাও বিচারাধীন। তারপরও কিভাবে প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছে এবং বিভিন্ন এলাকায় হুন্ডা বাহিনী তৈরি করে অস্ত্রের মহড়া দিচ্ছে।তাহলে দেলুকে শেল্টার দিচ্ছে কারা? এ প্রশ্ন যখন ঘুরপাক খাচ্ছে তখনই স্বৈরাচারের দোসর ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির ছেচরা পাতি নেতা ডিএইচ বাবুল ও জেলা বিএনপির দুই একজন নেতার নাম প্রকাশ্যে চলে এসেছে। যারা বিভিন্ন সভা সেমিনারে দেলু বাহিনীকে ব্যবহার করছে এবং রাজনৈতিক ভাবে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, চুরি ও রাহাজানির সাথে উতোপ্রতোভাবে দেলু বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে নিচ্ছে। এরই মধ্যে দেলু আবার কয়েক লক্ষ টাকার বিনিময়ে মহানগর তরুন দলের পদ বাগিয়ে নিয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে অস্ত্র ও মাদক দিয়ে উল্টো প্রতিপক্ষকে ফাঁসিয়ে দিচ্ছে দেলু। জানা গেছে গোদনাইল পাঠানটুলী আইলপাড়া এলাকার মদদী শাহজাহান ড্রাইভারের কুখ্যাত ছেলে দেলোয়ার হোসেন দেলু বিগত আওয়ামী স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ সরকারের আমলে নারায়ণগঞ্জের হাজী সাহেব হিসেবে পরিচিত গণহত্যাকারী আজমির ওসমানের হয়ে বিভিন্ন মানুষকে অস্ত্রের ভয়ভীতি দেখিয়ে স্বর্বশান্ত করে দিয়েছে। এছাড়াও পাঠানটুলী এলাকার যুবলীগের নেতা ভুমিদস্যু শাহজাহান ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী শহিদুল্লাহর অন্যতম সহযোগি হিসেবে দেলুর ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। এমন কোন অপরাধ নেই যা দেলু করেনি। বর্তমানেও পালাবদলের সাথে সাথে দেলুরও রং পাল্টেছে। পুলিশের খাতায় দেলু পলাতক থাকলেও নারায়ণগঞ্জ শহরের এবং সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় তাকে প্রকাশ্যেই দেখা যাচ্ছে হুন্ডার মহড়ায়। নিরাপত্তার অভাবে ডেভিল হান্টের অভিযানসহ পুলিশ প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছে সিদ্ধিরগঞ্জবাসী।