নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এনসিপিসহ বিভিন্ন দলের নেতাদের এক একজনের হলফনামা তো নয় যেন দুর্নীতিনামা। এত এত দুর্নীতি তারা করেছে যে, পরামর্শক, শিক্ষকতা করে লক্ষ লক্ষ টাকা আয়ের বর্ণনা দিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করেছে, যা সম্পূর্ণ অসম্ভব।
২ জানুয়ারি সকালে ২৭/৭ তোপখানা রোডস্থ বিজয় মিলনায়তনে ‘নতুনধারার চেয়ারম্যানের উপর হামলা : নিরব প্রশাসন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় উপরোক্ত কথা বলেন। তিনি এসময় আরো বলেন, আমি মনে করি- চলমান নিরাপত্তাহীন দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন অসম্ভব। বাংলাদেশে সরকারের সঠিক নির্দেশনা অভাবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীগুলো মব ভায়োলেন্স এবং দুর্নীতি থামাতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে গত ১৭ মাসে। সেই সরকারের এই নৈরাজ্যকর-নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দেশে নির্বাচন ক্রমশ সহিংসতাকে উশকে দিচ্ছে। উত্তরণে সেনা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপ জরুরী বলে আমি মনে করি।
নির্মম হলেও সত্য যে, জাতিকে কান ধরে ওঠবস করার যোগাড় করেছে ছাত্র নামধারী রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক সুবিধাভোগি কিছু দেশ ও স্বাধীনতাবিরোধী। যাদের কাছে ছাত্রদের জীবন-রক্ত-অঙ্গহানী কেবলই ক্ষমতায় আসবার আর টাকা কামানোর উপায় ছিলো। তার প্রমাণ নতুন দলের নেতাদের হলফনামাতেই পাওয়া যাচ্ছে। তারা হলফনাতেই যদি দুর্নীতির প্রমাণ তুলে ধরতে পারেন, তাহলে বাস্তবে তারা কতটা দুর্নীতি করেছে তা ক্ষতিয়ে দেখার দায়িত্ব দুদকের হলেও সেই রাস্তা বন্ধ, কারণ দুদক দন্তহীন বাঘ। তিনি এসময় গত ২৯ ডিসেম্বর তার উপর হামলার ঘটনা তুলে ধরে বলেন, বিজয়ের মাসে এসে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হলাম, অথচ তা খতিয়ে দেখার জন্য, আসামীদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ-প্রশাসনের কোনো পদক্ষেপই দেখলাম না। তারা ব্যস্ত আগামীতে যারা ক্ষমতায় আসবে তাদের পা চাটাচাটিতে। এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনে যাওয়ার মত কোনো পরিবেশ না থাকায় আমরা কিছু স্থানে স্বতন্ত্র মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও আর জমা দেইনি।
এসময় নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, যুগ্ম মহাসচিব মাহামুদ হাসান তাহের, মনির জামান, ওয়াজেদ রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক হরিদাস সরকার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।