1. [email protected] : adminbackup :
  2. [email protected] : Gk Russel : Gk Russel
  3. [email protected] : stnews :
জুলাই সনদ ও গণভোট: জনগণের হাতে গণতন্ত্রের সিদ্ধান্ত - শিক্ষা তথ্য
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
উন্নয়ন-অধিকার প্রতিষ্ঠায় ১২ তারিখ ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান তারেক রহমানের সফরে আমাদের অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে-মির্জা ফখরুল দিনের ভোট দিনে ঝুঁকি নয়, খুঁজুন আস্থার পথ ‘সরকার পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু চাঁদাবাজি দুর্নীতি দখলদারিত্ব কমেনি’-অধ্যাপক শাহ আলম পটিয়ায় জায়গা নিয়ে বিরোধ: সংঘর্ষের আশংকা: থানায় জিডি রূপগঞ্জে বিএনপির ৩০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান রূপগঞ্জে বিএনপির সমাবেশ ও গণমিছিলে মানুষের ঢল রূপগঞ্জে দাঁড়িপাল্লা প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রূপগঞ্জ পূর্বাচলে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবদল নেতা নিহত, আহত এক সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিতে পারবেন না এমন সিদ্ধান্ত ইসির কিনা জানতে চায়

জুলাই সনদ ও গণভোট: জনগণের হাতে গণতন্ত্রের সিদ্ধান্ত

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৮৫ Time View

রাকিব হোসেন মিলন: বাংলাদেশ এখন এক নতুন রাজনৈতিক সময়ের মুখে। জুলাই সনদ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে চারদিকে। তৈরি মতবিরোধ এখনও চলছে। মূলত, এই সনদে যে সংস্কার প্রস্তাবগুলো এসেছে সেগুলো ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে। কিন্তু যেহেতু এই সনদ কোনো নির্বাচিত সংবিধান সভার মাধ্যমে হয়নি, তাই এর গণতান্ত্রিক ভিত্তি শক্ত করতে গণভোট জরুরি। জনগণের ভোটেই ঠিক হবে—এই সংস্কার তারা চায় কি না। প্রথম কারণ, গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদকে আমরা বৈধতা দিতে চাই। এটি জনগণের সম্মতির দলিল হয়ে উঠবে। যদি জনগণ ভোট দিয়ে সায় দেয় তাহলে এটা কেবল কিছু বিশেষজ্ঞের মত নয় বরং জাতির ইচ্ছার প্রকাশ হবে। দ্বিতীয় কারণ, আমরা চাই না এই সংস্কারের ভবিষ্যৎ পুরোপুরি পরের সংসদের হাতে থাকুক।

কারণ অভিজ্ঞতা বলে, যে দলই ক্ষমতায় যাক, তারা অনেক সময় নিজেদের দলীয় স্বার্থকে আগে রাখে। তাই জনগণের ভোটে যদি জুলাই সনদ পাস হয়, তাহলে পরের সরকার বাধ্য থাকবে সেটা বাস্তবায়ন করতে। এইভাবে জনগণের ভোটই হবে সরকারের ওপর গণতান্ত্রিক চাপ। তৃতীয় কারণ, গণভোট ছাড়া এই চাপ সৃষ্টি করা হলে সেটি অগণতান্ত্রিক হতো। কিন্তু গণভোটের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মতামত প্রকাশ পেলে সেটা পুরোপুরি গণতান্ত্রিক হবে। চতুর্থত, যদি জুলাই সনদ গণভোটে জয় পায়, অথচ পরের সরকার সেটা বাস্তবায়ন না করে, তাহলে মানুষ মনে করবে তারা প্রতারিত হয়েছে। তখন জনগণের এই ক্ষোভ থেকে নতুন রাজনৈতিক আন্দোলন তৈরি হতে পারে।

জুলাই সনদ তখন হয়ে উঠবে পরিবর্তনের প্রতীক—যা ভবিষ্যতের রাজনীতিকে নতুন পথে চালিত করবে। অন্যদিকে, যদি জুলাই সনদ গণভোটে হেরে যায়, তাহলে বুঝতে হবে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ এইভাবে পরিবর্তন চায় না। তারা সংসদীয় প্রক্রিয়ায় ধীরে ধীরে পরিবর্তন পছন্দ করে। সেটাই হবে জনগণের মতামত, আর সেটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। শেষত, যদি আমরা গণভোট ছাড়া জুলাই সনদ চাইতাম, তাহলে এটা হতো কেবল কিছু সুশীল মানুষের চিন্তা। কিন্তু গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদ মানে হলো—জনগণের নিজের হাতে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা। জুলাই সনদ ও গণভোট তাই শুধু কোনো রাজনৈতিক উদ্যোগ নয়, এটা হচ্ছে জনগণের আস্থা ফেরানোর এক বড় সুযোগ। এখানে মানুষ নিজের কণ্ঠে জানাবে তারা কেমন ভবিষ্যৎ চায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সাইবার প্লানেট বিডি