1. [email protected] : adminbackup :
  2. [email protected] : Gk Russel : Gk Russel
  3. [email protected] : stnews :
পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ২ যুগের মাদক ব্যবসা অপ্রতিরোধ্য চালিয়ে যাচ্ছে গুণধর পুত্ররা - শিক্ষা তথ্য
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে মদনপুরে দিনব্যাপী রান্নার প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত কলাপাড়ায় শাপলা কাব ও প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড পরীক্ষা-২০২৬ অনুষ্ঠিত অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন বিএনপি বাউফল চিহ্নিত চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ পটিয়া উপজেলা গাউসিয়া কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা : ভিপি নুরের সমর্থকদের হামলার মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে গলাচিপা উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন এবিএম মোশাররফ হোসেনকে মন্ত্রী চেয়ে জোরালো দাবি উপকূলবাসীর বিশ্ব ভালোবাসা দিবসেও পর্যটক শূন্য কুয়াকাটা গুইমারায় ভালোবাসা দিবসে ভোটারদের বাড়িতে ফুল নিয়ে হাজির বিএনপির নেতাকর্মীরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে না’গঞ্জ-২ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী আজাদ’র বড় ব্যবধানে বিজয়

পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ২ যুগের মাদক ব্যবসা অপ্রতিরোধ্য চালিয়ে যাচ্ছে গুণধর পুত্ররা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৭ Time View

নিজস্ব সংবাদদাতা: নারায়ণগঞ্জ বন্দরের একরামপুর ইস্পাহানি জেলেপাড়া এলাকাটি মাদকের স্বর্গরাজ্য হিসেবে গড়ে তুলেছে চিহ্নিত একটি মাদক পরিবার। ভয়াল এ পরিবারটি হচ্ছে হাবিবুর রহমান হবি গং। প্রায় দেড় যুগ ধরে এ পরিবারটি বংশ পরমপরায় তাদের ব্যবসার আধিপত্য ধরে রেখেছে। বন্দর থানা পুলিশের তৎপরতার অভাবে এলাকার কতিপয় উচ্ছশৃঙ্খল তরুন ও যুবক হবি গংয়ের নিষিদ্ধ এ ব্যবসা জিইয়ে রেখেছে। এক সময় এই এলাকার মাদকের আখড়া চালাতো মাদক সম্রাট হাবিবুর রহমান হবি ও তার স্ত্রী রোকেয়া দীর্ঘ দিন এলাকায় মাদকের রাম রাজত্ব কায়েম করে আসছিল।

বিগত ২০ বছর আগে মাদক পাচার করতে গিয়ে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় পুলিশী হেফাজতে মৃত্যুবরণ করে। বর্তমানে পিতা-মাতার ব্যবসা ধারবাহিকভাবে ধরে রেখেছে তাদেরই কুপুত্র রমজান,রিপন,শুক্কুর,বাবু। হবি পুত্রদের এসব ব্যবসার পুরোপুরি শেল্টার দেন ৫ আগষ্টের পলাতক সন্ত্রাসী আজমীর ওসমানের অন্যতম সহযোগী মনির সরদার ওরফে টাউট মনির। মনির সরদার মূলতঃ এলাকার চিহ্নিত মাদকসেবী রাকিব,আবুল,শাওন,আরমান,দয়াল,রাজন ও কাশেমসহ ৩০জনের একটি সংঘবদ্ধ দলের নেতৃত্ব দিয়ে থাকে।

এই ৩০জন মাদকসেবীর মাধ্যমে ৩ বেলার খাবারসহ প্রতিদিন জনপ্রতি ১হাজার টাকা করে বেতন দেয়া হয়। এদের অবাধ মাদক বানিজ্যের কারণে একরামপুর ইস্পাহানিসহ তার আশপাশের এলাকাগুলো অপরাধের আখড়ায় পরিণত হয়ে উঠেছে। এ কারণে এলাকাগুলো প্রতিনিয়তই চুরি,ছিনতাই ও রাহাজানিসহ নানা প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে। ভয়ানক হবি বাহিনীর কবল থেকে মুক্তিসহ যুব সমাজ রক্ষার স্বার্থে বন্দর থানা প্রশাসন, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করছে সচেতন মহল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সাইবার প্লানেট বিডি