প্রতিনিধি লক্ষ্মীপুর: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোট কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে, এমন প্রতিষ্ঠান/স্থাপনাসমূহে ঝুঁকিপূর্ণ এবং গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে কেন্দ্রগুলো নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশনা রয়েছে । উপজেলা প্রশাসন বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে টেন্ডারের মাধ্যমে এই সিসি ক্যামেরা গুলো স্থাপন করার কথা রয়েছে । অথচ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কয়েকটি ভোট কেন্দ্রে বরাদ্দ ছাড়াই তড়িঘড়ি করে সিসি ক্যামেরা লাগানোর অভিযোগ উঠেছে। এতে অতি গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহৃত সিসি ক্যামেরা গুলোর মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার রাজিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গিয়ে দেখা যায়, ভোটকেন্দ্রটি সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।
অথচ তখন পর্যন্ত কোন বরাদ্দ উপজেলা প্রশাসন পায়নি বলে সূত্র নিশ্চিত করে। (২২ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার ১১৫ টি ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করার জন্য ৩৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা বরাদ্ধের অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠি হাতে পায় উপজেলা প্রশাসন। ওই চিঠিতে প্রতিটি কেন্দ্রের সিসি ক্যামেরার খরচ নির্ধারণ করা হয় ৩২ হাজার ৮শ’ টাকা। স্থানীয় সরকার বিভাগের চিঠি শর্তাবলির (ঘ) এ উল্লেখ রয়েছে, এ অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে The Public Procurement Act- 2006 এবং The Public Procurement Rules 2025 অনুসরণসহ যাবতীয় আর্থিক বিধিবিধান ও নিয়মাচার যথাযথ অনুসরণ করতে হবে।
অভিযোগ উঠেছে, সদর উপজেলা প্রশাসন (২২ জানুয়ারি) বরাদ্দ আসার আগেই নিয়মবহির্ভূত ভাবে টেন্ডারবিহীন কয়েকটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামরা স্থাপন করে। এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যথোয়াইপ্রু মারম সাংবাদিকদের জানান, ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিটি ভোটকেন্দ্র দ্রুত সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশনা রয়েছে। তাই গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে । বরাদ্দ আসলে সমন্বয় করা হবে। প্রতিনিধি লক্ষ্মীপুর:ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোট কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে, এমন প্রতিষ্ঠান/স্থাপনাসমূহে ঝুঁকিপূর্ণ এবং গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে কেন্দ্রগুলো নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশনা রয়েছে ।
উপজেলা প্রশাসন বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে টেন্ডারের মাধ্যমে এই সিসি ক্যামেরা গুলো স্থাপন করার কথা রয়েছে । অথচ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কয়েকটি ভোট কেন্দ্রে বরাদ্দ ছাড়াই তড়িঘড়ি করে সিসি ক্যামেরা লাগানোর অভিযোগ উঠেছে। এতে অতি গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহৃত সিসি ক্যামেরা গুলোর মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার রাজিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গিয়ে দেখা যায়, ভোটকেন্দ্রটি সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। অথচ তখন পর্যন্ত কোন বরাদ্দ উপজেলা প্রশাসন পায়নি বলে সূত্র নিশ্চিত করে। (২২ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার ১১৫ টি ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করার জন্য ৩৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা বরাদ্ধের অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠি হাতে পায় উপজেলা প্রশাসন।
ওই চিঠিতে প্রতিটি কেন্দ্রের সিসি ক্যামেরার খরচ নির্ধারণ করা হয় ৩২ হাজার ৮শ’ টাকা। স্থানীয় সরকার বিভাগের চিঠি শর্তাবলির (ঘ) এ উল্লেখ রয়েছে, এ অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে The Public Procurement Act- 2006 এবং The Public Procurement Rules 2025 অনুসরণসহ যাবতীয় আর্থিক বিধিবিধান ও নিয়মাচার যথাযথ অনুসরণ করতে হবে। অভিযোগ উঠেছে, সদর উপজেলা প্রশাসন (২২ জানুয়ারি) বরাদ্দ আসার আগেই নিয়মবহির্ভূত ভাবে টেন্ডারবিহীন কয়েকটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামরা স্থাপন করে। এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যথোয়াইপ্রু মারম সাংবাদিকদের জানান, ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিটি ভোটকেন্দ্র দ্রুত সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশনা রয়েছে। তাই গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে । বরাদ্দ আসলে সমন্বয় করা হবে।