1. [email protected] : adminbackup :
  2. [email protected] : Gk Russel : Gk Russel
  3. [email protected] : stnews :
রুমায় রেঞ্জ কর্মকর্তার যোগসাজশে বাড়ছে অবৈধ কাঠ পাচার - শিক্ষা তথ্য
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
১৫ ফেব্রুয়ারী পটিয়ায় হযরত মকবুল শাহ্ (রাহ.) বার্ষিক ওরশ নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে রূপগঞ্জে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি প্রার্থী দিপু ভুঁইয়ার উদ্যোগে রূপগঞ্জে ৪ সহস্রাধিক রোগীকে ফ্রী চিকিৎসা সেবা প্রদান রুমায় রেঞ্জ কর্মকর্তার যোগসাজশে বাড়ছে অবৈধ কাঠ পাচার পবিত্র শব‌ – এ- বরাত উপলক্ষে হিলফুল ফুযুল শান্তি সংঘের হালুয়া রুটি বিতরণ জামায়াত দেশটাকে আফগানিস্তান বানাতে চায় :- মির্জা ফখরুল নিউজ টু নারায়ণগঞ্জ এর উদ্যোগে দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২২ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি শিবুদাসের নেতৃত্বে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠিত সেনাবাহিনীর অভিযানে, রূপগঞ্জে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ২ শীর্ষ সন্ত্রাসী আটক পটুয়াখালী-২ বাউফল আসনে ‘হ্যা’ ভোটের প্রচারণা গাড়ীর উদ্বোধন

রুমায় রেঞ্জ কর্মকর্তার যোগসাজশে বাড়ছে অবৈধ কাঠ পাচার

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ২১ Time View

 রোয়াংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধি: চিংনুমং মারমা। রুমা উপজেলা সদর ও বান্দরবান জেলা সদরে যাত্রীদের আসা-যাওয়ার ব্যস্ততম রুমা বাস স্টেশনের লাগোয়া জনবহুল স্থানের অবৈধ গাছে বন বিভাগে অনুমোদনহীন ডিপো করায় সাধারণ মানুষ ও যাত্রীদের চলাচলের ব্যাপক হুমকি মুখে পড়েছে বলে কাঠ ব্যবসায়ী ও বন বিভাগের কর্মকর্তা বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রুমা উপজেলা পাইন্দু ইউনিয়নে ৩৫৬নং পলি মৌজার অভ্যন্তরে বান্দরবান পাল্পউড প্ল্যান্টেশন বিভাগ ডেপুটি রেঞ্জার ও পলি রেঞ্জ কর্মকর্তা মো: ফারুক আহমেদ বাবুল সরকারের অর্পিত দায়িত্ব পালন না করে কাঠ ব্যবসায়ী নামে সংঘবদ্ধচক্র বন খেকো ও বন দস্যুদের সাথে আতাঁত করে গাছ কর্তন ও অবৈধভাবে মূল্যবান কাঠ পাচার কাজে জরিত হয়ে সহযোগিতায় করা অভিযোগ উঠেছে রুমা ফরেস্টর স্টাফের বিরুদ্ধে।

রুমা সদর, পলি, পাইন্দু ও প্রানসা রেঞ্জ আংশিকসহ ৪টি রেঞ্জের বিভিন্ন মৌজার জোত পারমিটের কাগজের দেখিয়ে ব্যবহার করে পলি মৌজার এলাকার থেকে দীর্ঘ দিন ধরে লক্ষ লক্ষ ঘনফুটের গোদা, গর্জন, গুটটিয়া, জারুল, নিষিদ্ধ ঘোষিত চাম্পাফুলসহ মূল্যবান বিভিন্ন প্রজাতির কাঠ পাচার হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও বন বিভাগে কর্মকর্তাকে তোয়াক্কা না করে রুমা-বান্দরবান প্রধান সড়ককের পাশে জনবহুল এলাকায় সংঘবদ্ধচক্রে অবৈধ কাঠ ব্যবসায়ীরা স্বঘোষিত কাঠের ডিপো স্থাপন করায় সাধারণ মানুষের চলাচলের ব্যাপক ঝুঁকি রয়েছে বলে যাত্রীদের মাঝে নানান অভিযোগ তুলেছে। নাম বলতে অনিকচ্ছুক কয়েকজন যাত্রী বলেন, প্রতিনিয়ত গাছের বোঝা ট্রাক চলাচল থাকায় যেকোন সময় দুর্ঘটনা সম্মুখীন হতে পারে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসন ও বন বিভাগের কর্মকর্তারা কাঠে পাচারে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে সাধারণ জনগণের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে বলে ধারণা করছে। সূত্রে জানা গেছে, পলি রেঞ্জ থাকলেও অফিস নাই বলে অজুহাত দেখিয়ে বান্দরবানে থাকেন। সেখানে কোন কর্মকর্তা ও কর্মচারী না থাকায় এ সুযোগে অবৈধ কাঠ পাচার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে স্থানীয়রা। বন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নিয়মিত নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করতে নির্দেশনা থাকলেও সরকারি নির্দেশনা মানছেন না। তিনি বরং কর্মস্থলে না গিয়ে নিয়মিত পলি রেঞ্জ অফিস নামে বান্দরবান সদরে অবস্থান করে যাচ্ছেন। বান্দরবান জেলা সদরে থাকলে বিভিন্ন সোর্সে মাধ্যমে অবৈধ কাঠ ব্যবসায়ীদের আতাঁত করে নিজ ভাগের টাকা আদায় করে থাকে।

শনিবার (৩১ জানুয়ারী ২৬) এলাকার ঘুড়ে সত্যতা চিত্র দেখতে পাই, রুমা ও বান্দরবান প্রধান সড়কে ১ থেকে ২ মিনিট হাঁটলেই বাস স্টেশনের লাগোয়া বন বিভাগের অনুমোদনহীন কাঠের মজুতের স্থান। সেখানে পুরানো ঝরাজীর্ণ টেলপার ও সুতালি বস্তা ছিড়ে ঘিড়ে রাখা হয়েছে। একটু সামনে দিকে এগিয়ে প্রবেশ করলেই অবৈধ কাঠের মজুত দেখতে পাই। বন বিভাগে কর্মকর্তা ও কর্মচারি ছাড়াই প্রতিনিয়ত ট্রাকের লোডিং ও আনলোডিং কার্যক্রম চলে। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, পলি রেঞ্জে কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা অজুহাত দেখিয়ে কর্মস্থলে থাকেন না। শুধু মাসের শেষে অবৈধ কাঠ পাচারকারীদের নিকট থেকে হিসাব নিকাশ করে মাসোহারা নিতে আসেন। জোত পারমিট কাগজের সাথে গাছের বাগানে কোন মিল না থাকলেও কাঠ গাড়িতে লোডিং কাজ চলে।

কাঠ লোডিং করা সময় কোন ফরেস্ট বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারী উপস্থিত থাকেন না। আবার উপস্থিত থাকলে ও নিজেদের দায়িত্ব পালন না করে বরং কাঠ ব্যবসায়ীদের সাথে যোগসাজশে অবৈধ পন্থা অবলম্বনে আশ্রয় নিয়ে সহায়তা করেন। জোত পারমিট আড়ালে বন বিভাগে অনুমোদনহীন হাজার হাজার ঘনফুট কাঠ ট্রাকে করে সেগুন গাছ রুমা উপজেলা থেকে বান্দরবান জেলা উদ্দেশ্যে নেয়ার জন্য গাড়িতে তোলা হয়। সে সময়াও জোত পারমিটের সঙ্গে গাছের মিল নেই উল্লেখ করে তার কাছে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেন পলি রেঞ্জে দায়িত্বে থাকার কর্মকর্তার মো: ফারুক আহমদ বাবুল। এই ব্যাপারে জানতে চাইলে অবৈধ গাছের ডিপোতে দেখভাল দায়িত্বে থাকা চৌকিদার দুদু নামে একব্যক্তি বলেন, আমি তো একজন চৌকিদার মাত্র। কাঠ ব্যবসায়ী মো: জাহাঙ্গীর,সালাউদ্দীন, মো: মহিদ্দীন, মো: নাসিরা বিস্তারিত বলতে পারবেন। তবে আরো অনেক কাঠ ব্যবসায়ীদের এ ডিপোতে কাঠ মজুত করে রাখা হয়েছে।

উনারা সবাই বান্দরবান সদরে থাকে। কাঠ ব্যবসায়ীরা জরুরী কাজ না থাকলে কেউ এখানে আসেন না। কাঠ ব্যবসায়ীদের যার যার কেরানিরা থাকেন। কিন্তু উল্লেখিত কাঠ ব্যবসায়ীদের যোগযোগ করে না পাওয়ায় বক্ত পাওয়া যায়নি। বান্দরবান গামী যাত্রী মো: কায়ুম (৪৩) বলেন, বন দস্যুদের বন বিভাগ এলাকার থেকে গাছ কেটে শেষ করে ফেলেছে। জোতের নামে নিয়মবহির্ভুতভাবে বিনা তদন্তে ইস্যু করা পারমিট। ৩৫৬ নং পলি মৌজার হেডম্যান চিংসাঅং মারমা বলেন, মিনজিরি পাড়া বান্দিার কয়েকজন লোককে আমার কাছে নিয়ে এসে পারমিট নামে ভূয়া কাগজপত্র করা হয়েছে। মাঝে মাঝে কাজের এব্যাপারে আমার কাছে না এসে কাজ করে ফেলে বান্দরবান থেকে কাঠে সদররা। দীর্ঘ দিন যাবত আমাদের এলাকার থেকে আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫০ কোটি টাকাও বেশি পাচার হয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে জানতে চেয়ে পলি রেঞ্জে দায়িত্ব প্রাপ্ত বান্দরবান পাল্পউড প্ল্যান্টেশন বিভাগ ডেপুটি রেঞ্জার ও পলি রেঞ্জ কর্মকর্তা মো: ফারুক আহমেদ বাবুল সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সব জায়াগা সঠিক কাজ করতে পারেন না। এমনে গড়মিল তো থাকতে পারেন। তবে কাঠ ব্যবসায়ারা নিজ ইচ্ছায় রুমা বাস স্টেশনে পাশে কাঠ মজুত করে রাখা হয়েছে। রুমা উপজেলাতে ডিপোটি বন বিভাগের কোন জায়গার মধ্যে পড়ে না কিন্তু কোন জায়গাই অনুমোদিত ডিপো নাই। নির্দিষ্ট স্থানের জন্য ডিপো করতে আবেদন করেছে। তিনি আরো বলেন, আপনারা কিছু করা দরকার নাই। কারণ সবাই সুবিধা পাচ্ছেন, আপনারাও পাবেন না কেন? এবিষয়ে রুমা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো: মাসুদ রানা মাসুম বলতে পারবেন।

কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি সভাপতি মো: মাসুদ রানা মাসুম সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন হ্যাঁ আমরা ফিল্ডটি চালাচ্ছি। কোন সমস্যা হলে আমরা দেখব। বান্দরবানে পাল্পাউড বিভাগে প্রধান বন সংরক্ষক (ডিএফও) মো: আবু ইউসুফ বলেন, আপনাদের কথা ঠিক আছে। রুমা প্রবেশ মুখে একদম প্রধান সড়কে পাশে বাস স্টেশনে লাগোয়া কাঠের মজুত করায় সাধারণ মানুষে চলাচলের ঝুঁকি রযেছে। আপাতত রুমা উপজেলা কোন অনুমদিত ডিপো নাই। বন বিভাগের আনুমোদনহীন ডিপো ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পুনরায় এব্যাপারে আপনারা বলাই ভালো হয়েছে। বন কর্মকর্তা কাজে অবহেলা করা ব্যাপারে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সাইবার প্লানেট বিডি