সাজ্জাদ আহমেদ মাসুদ, গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: অধ্যাপক মু. শাহ আলম বলেন, ‘২০২৪ সালে অভ্যুত্থানের ফলে সরকার পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু চাঁদাবাজি কমেনি, দুর্নীতি কমেনি, দখলদারিত্ব কমেনি। এই চান্দাবাজি দখলবাজি বন্ধ করার জন্য জামায়াতে ইসলামীর দাড়িপাল্লা।’ তিনি আরো বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় চলছে, আমি নির্বাচন কমিশনারকে বলবো, রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে বলবো, ওসি সাহেবকে বলবো নিয়ম মানবেন। নিয়ম না মানার যদি কোন বিষয় হয়, ব্যত্তয় হয়, তাহলে নিয়ম মানার ঝড় আমরা আর দেখব না। নিয়ম রক্ষার জন্য আমরা যে ঝড় তুলবো সেই ঝড়কে রুখবার জন্য কোন শক্তি কিন্তু কারো কাছে নেই।
’ সোমবার বিকেল ৩টায় গলাচিপা হেলিপ্যাড মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দাড়িপাল্লা প্রতীকের পটুয়াখালী-৩ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক মু. শাহ আলম তার নির্বাচনী প্রচারণার শেষ জনসভায় গলাচিপা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মো. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পটুয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির এডভোকেট নাজমুল আহসান, জেলা সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম আল কায়সারী, বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের সহসভাপতি এডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক, গলাচিপা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মাওলানা ইয়াহিয়া খান, কেন্দ্রীয় ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি মো. জাহিদুর রহমান, শহিদ পরিবারের সদস্য মিরাজ মাহমুদ প্রমুখ।
শাহ আলম বলেন, ‘যদি জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসে, তাহলে হিন্দু ভাইদের অবস্থান কী হবে? এই প্রশ্ন তুলে ভয় দেখানো হয়। কিন্তু আমরা স্পষ্ট করে বলি বাংলাদেশে সবাই সমান। আমি যেভাবে এখানে এসেছি, আমার মা-বোনেরা যেভাবে আছে হিন্দু মা-বোনদের সম্মান, সম্ভ্রম, নিরাপত্তা ও তাদের অধিকার আমাদের অধিকারের মতো সমান অধিকারের সাথে সংযুক্ত।’ তিনি আরো বলেন, ’৭০ এর নির্বাচনে আওয়ামীলীগ বিজয়ী হয়েছিল। গলাচিপা-দশমিনায় ৭৩, ৯১, ৯৬, ২০০১, ২০০৮ সালে আওয়ামীলীগ নির্বাচিত হয়েছিল। আওয়ামীলীগের কারো জন্য আমরা জালিম হিসেবে আবির্ভূত হব না। জামায়াতে ইসলামী যদি নির্বাচিত হয়, কোন একজন নাগরিককে দলিত করবো না, মথিত করবো না, জুলুমের শিকার বানাবো না।’