শ্যামনগর প্রতিনিধিঃসাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নওয়াবেঁকী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন পরিষদ প্রাচীর সংলগ্ন ড্রেনের পানি নিস্কাশনের ব্যাবস্থা না থাকায় চরম দূর্ভোগে পরেছে এলাকাবাসী, পথচারী ও কোমলমতি শিক্ষার্থীরা । স্থানীয়দের দাবি কয়েক বছর থেকে ড্রেনের ময়লা ও পাঙ্গাস মাছের পানি এই এভাবে জমে থাকে এখানে। ভালো নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় ময়লা জমে চরম দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে । ক্লাসরুমের পাশ দিয়ে যাওয়া ড্রেনগুলোর দুর্গন্ধে শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে সমস্যায় পড়তে হয় রীতিমতো। এভাবে পানি ও ময়লা আটকে থাকার কারণে বাড়ছে এডিসবাহিত মশার বংশবিস্তারের ঝুঁকিও। ফলে ডেঙ্গু ছড়ানোর আশঙ্কাও রয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, বেশিরভাগ ড্রেন খোলা এবং নোংরা অবস্থায় রয়েছে। গাছের পাতা পড়ে জায়গায় জায়গায় ময়লার স্তূপ হয়ে আছে। ড্রেনে ঢাকনা না থাকায় পাতা ও বিভিন্ন ময়লা আবর্জনা পড়ে পানি আটকে রয়েছে। ফলে দিন দিন মশা ও মাছি বৃদ্ধি পাচ্ছে এখানে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যক্তি বলেন ইউনিয়ন পরিষদের ভিতরে পাঙ্গাস মাছের ব্যবসা করতে দেওয়া ঠিক হয়নি, মাছের দুর্গন্ধ যুক্ত পানি সরাসরি ড্রেনে চলে আসে। তিনি আরো বলেন, ড্রেনের পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় এখানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এর ফলে এই এলাকায় পরিবেশন দূষণসহ এলাকাবাসী, পথচারী ও সুন্দরবন কিন্ডারগার্টেন স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরাও এই পথে যাওয়া আসা করে, এমন কি বিড়ালাক্ষী কাদিরিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও মসজিদের মুসুল্লিদের এই পথে যাওয়া আসা করতে হয়। এ বিষয়ে ১০ নং আটুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আবু সালেহ বাবুর মোবাইলে একাধিকবার ফোন দেয়া হলো ফোনটা রিসিভ করেনি। এই সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য স্থানীয় প্রশাসন হস্তক্ষেপ কম করেন নওয়াবেঁকী বাজার ব্যবসায়ী।