শেখ মোঃ সাইফুল ইসলাম, সুন্দরগঞ্জ, (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃসরকার গরিব ও অসহায় মানুষদের জন্য ভিজিএফ প্রকল্পের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মেট্রিক টন চাল দেয়, যাতে দেশের অসহায়রা অন্তত কিছুটা স্বস্তি পায়।কিন্তু বাস্তবতা হলো—অনেক সময় দেখা যায় প্রকৃত উপকারভোগীরা তালিকায় থাকেন না, অথচ সুবিধা পেয়ে যায় অন্য কেউ। যাদের ঘরে সত্যিই খাবার নেই, তাদের হাতে যদি এই সহায়তা না পৌঁছায়, তাহলে এই কর্মসূচির আসল উদ্দেশ্যই প্রশ্নের মুখে পড়ে। আমরা চাই,ভিজিএফের স্লিপ হোক স্বচ্ছ তালিকার মাধ্যমে এবং সহায়তা পৌঁছাক সেই সকল মানুষের কাছে, যাদের সত্যিই প্রয়োজন। গরিবের হক যেন কেউ না মারে, সেদিকে কোন কঠোর পদক্ষেপ নেই, প্রশাসনের।
তথ্য সুত্রঃ বলছে, এবারের ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় ইউনিয়ন ভিত্তিক প্রায় ৪ হাজার থেকে ৪,৪০০ জন অসহায় গরিব পরিবার পাবে এ সেবা। প্রতিটি ইউনিয়নে সঠিকভাবে ভিজিএফ কর্মসূচির তালিকা করা হলে, বঞ্চিত হওয়ার মতো পরিবার খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমাদের সমাজে এমন কিছু পরিবার আছে, তারা ঈদের আগে তাকিয়ে থাকে ভিজিএফ কর্মসূচির স্লিপের দিকে। এমন পরিবারের রিজিক নিয়ে ছিনিমিনি করে নিজেদের পকেট ভারী করবে দায়িত্বে থাকা ইউপি সদস্য, চেয়ারম্যান ও তাদের আত্মীয়স্বজনরা। ভদ্রবেশে অসহায় ও মধ্যবিত্ত পরিবার গুলোর থেকে ন্যাশনাল আইডি গ্রহণ করে, মেম্বার, চেয়ারম্যান ও দলীয় নেতাকর্মীরা। আইডি কার্ড জমা দিয়ে আশায় বুক বেঁধে থাকা মানুষ গুলোর নাম উপকারভোগীর তালিকায় রেখে, তাদের সাথে প্রতারণা করে, চাল ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে মোটা অংকের অর্থ বানিজ্য করে। অসহায় মানুষ গুলোর চোখে খারাপ হয়ে ওঠে দেশের সরকার।
সে লক্ষে-ই আমি জাতীয় দৈনিক জনবাণীর রিপোর্টার শেখ মোঃ সাইফুল ইসলাম, দেশের রাষ্ট্র নায়ক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, সরকারের এই মহতি প্রকল্পের আড়ালে ১৫ দিনের জন্য অতিরিক্ত প্রশাসনের মাধ্যমে কর্মসূচির তালিকায় থাকা উপকারভোগীদের আইডি কার্ড গুলো চাউল বিতরণ শেষে জমা নিয়ে, বিতরণ করা সুবিধাভোগীর নাম পূর্ণরায় কম্পিউটার কম্পোজ করে উপজেলা প্রশাসনের ভেরিফাই ফেসবুক থেকে পোস্ট দিয়ে তথ্য জানতে চাওয়া হলে, দূর্নীতি শিখর উকরে ফেলা সম্ভব, ভিজিএফ কর্মসূচি থেকে। অন্যথায় সরকারের কোটি কোটি টাকার মহতি প্রকল্প শুধুই বানিজ্য কারীদের পকেট ভারী করবে।