তিনি বলেন, সারা দেশের মধ্যেই মাত্র ১৪টি ইউনিয়নে আমরা প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যকর্ম শুরু করেছি। তবে মা বোনেরা সকলেই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এমনকি জেলা প্রশাসক (ডিসি) তিনিও পাবেন যেহেতু তিনি নারী। এই কার্ড প্রত্যেক ঘরে ঘরে যাবে শুধুমাত্র সময়ের ব্যাপার।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের সম্মিলিত ঈদগাহ আলিম মাদরাসা মাঠে এসব কথা বলেন তিনি।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের বলেছিলাম এটাই আমার শেষ নির্বাচন এবং আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেছেন। আপনাদের এই ঋণ শোধ করবার ভাষা আমার জানা নাই। আমি কিছু কাজ করি আপনাদের সমস্যা সমাধান করে আমি এই ঋণ শোধ করতে চাই। আপনারা জানেন এরই মধ্যে একটি মেডিকেল টিম এসেছিল। ইনশাল্লাহ আগামী অর্থবছরে মেডিকেলে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি শুরু হবে। আমাদের ইউনিভার্সিটির আইন হয়ে গেছে, এখন শুধু ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগ করে জায়গা নির্ধারণ করে সেটাও চালু হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ এবং এয়ারপোর্টও চালু হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আলোচনা করেছি। এই অঞ্চলে কৃষক বেশি। এখানে কৃষি কাজ বেশি হয়। অন্যকোন কাজ তেমন নেই, কলকারখানা নেই কৃষিই একমাত্র মুল চাকা। তাই আমাদের কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলে এলাকার কাজের ব্যবস্থা করতে হবে। আমি আরেক টা কথা বলেছিলাম সেটা হলো আমাদের শিক্ষিত ছেলে-মেয়ের আইটি ট্রেনিং দিতে চাই। যাতে তারা ঘরে বসে মাসে ২/৩ লাখ টাকা আয় করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো মাদক। আমাদের যুবক ছেলেরা মাদকের ঝুকে যাচ্ছে। ভুল পথে চলে যাচ্ছে। এজন্য শুধু পুলিশ-প্রশাসন নয় আপনাদেরকেও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মা-বাবাদের সামনে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা সবাইকে মাদককে না বলি।
মহাসচিব বলেন, আমার শেষ কথা। আপনারা হতাশ হবেন না। সে কার্ড পেল আমি কেন পেলাম না এটা ভাববেন না। আপনারা সবাই পাবেন, শুধু একটু ধৈর্য ধরতে হবে। আপনার এটুকু বিশ্বাস করেন আমাদের আর অন্য কোন ইস্যু নাই। অন্যদের মতো ঢাকায় বাড়ি ও বিদেশে গিয়েও বাড়ি-গাড়ি করবো না। যতদিন আছি শুধু জনগণের কাজ করে যাব।