সাজ্জাদ আহমেদ মাসুদ, গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: জাটকা নিধনে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। জাটকা এবং মা ইলিশ নিধন বন্ধ না হলে ইলিশ উৎপাদন ও প্রজনন কমে যাবে। ক্ষতিগ্রস্ত হবে এ পেশার সাথে জড়িতরা। কথাগুলো বলেন গলাচিপা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবী। শনিবার সকালে গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি লঞ্চঘাট এলাকার ট্রলারঘাট এলাকায় বসুন্ধরা শুভসংঘ গলাচিপা উপজেলা শাখার উদ্যোগে জাটকা ও মা ইলিশ নিধন রোধে সচেতনতামূলক সভা ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সভায় বক্তারা বলেন, আমাদের এলাকার কিছু অসাধু জেলেরা কারেন্ট জাল, মশারি জাল বা খুচিজালসহ বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে অবাধে জাটকা নিধন করে চলেছে।
এতে জাটকা মাছ যদি নিধন না করে বড় হতে দেওয়া হতো, তবে তা থেকে কয়েকগুণ বেশি ওজনের পূর্ণাঙ্গ ইলিশ পাওয়া সম্ভব হতো। জাটকা নিধনের কারণে দেশে একসময় ইলিশ উৎপাদন ২০ লাখ টন থেকে কমে প্রায় ২ লাখ টনে নেমে এসেছিল। যদিও বর্তমানে জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রমের ফলে উৎপাদন বাড়ছে, তবুও পুরোপুরি বন্ধ না হওয়ায় এই সম্পদ হুমকির মুখে রয়েছে। ইলিশ আমাদের সম্পদ। একে রক্ষাণাবেক্ষণও আমাদের দায়িত্ব। আমরা নিজেরা।সচেতন হবো একই সাথে অন্য সবাইকে সচেতন করতে হবে। বসুন্ধরা শুভসংঘ গলাচিপা উপজেলা শাখার আহবায়ক মো. মিজানুর রহমান এর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘের জেলা সমন্বয়ক ও কালের কন্ঠের গলাচিপা উপজেলা প্রতিনিধি সাইমুন রহমান এলিট, নাগরিক টিভির গলাচিপা উপজেলা প্রতিনিধি মো. হুজ্জাতুল ইসলাম, বসুন্ধরা শুভসংঘ গলাচিপা উপজেলা শাখার সদস্য সচিব মো. তরিকুল ইসলাম মুন্না, সদস্য মো. হেমায়েত হোসেন মাষ্টার, মো. আনোয়ার হোসাইন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ল্যাব. সহকারী মো. সাজমুল ইসলাম, স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী হাজী মো. অহিদুল ইসলাম, মো. দুলাল মাঝি প্রমুখ।