শনিবার , সেপ্টেম্বর ১৯ ২০২০
সংবাদ শিরোনাম
Home » অনিয়ম » তিতাসে নিখোঁজের ৪ দিন পর বৃদ্ধের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার।

তিতাসে নিখোঁজের ৪ দিন পর বৃদ্ধের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার।

স্টাফ রিপোর্টারঃকুমিল্লার তিতাস উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের ডাবুর ভাঙা গ্রামে নিখোঁজের ৪ দিন পর এক বৃদ্ধের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গতকাল সোমবার দুপুরে উপজেলার ডাবুর ভাঙা গ্রামের আবুল হোসেনের বাগান বাড়ির ঝোপ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। লাশটি নিখোঁজ ছাপ্পর আলীর (৮৫) বলে তাহার পরিবার ও গ্রামবাসী নিশ্চিত করেছে।

পুলিশ সুরুতহাল রিপোর্ট তৈরী করে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায় ছাপ্পর আলী গত শুক্রবার মাগরিব নামাজের পর তার নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। অনেক খোজা খুজি করে না পেয়ে তার বড় ছেলে আব্দুল কাদির খোকন তিতাস থানায় একটি নিখোঁজ ডায়রি করেন এবং এলাকায় মাইকিং করেন।

গতকাল সোমবার সকালে ছাপ্পর আলীর বড় ছেলে খোকন ও তার স্ত্রী মাজেদা এবং একই গ্রামের জসিম উদ্দিনের অনুরোধে গ্রামের ছোট বড় সকলে মিলে ছাপ্পর আলীকে খুজতে বের হয় এবং গ্রামের আবুল হোসেনের বাগান বাড়িতে গিয়ে তার অর্ধগলিত লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেয়।

পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসে ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করেছে। এবিষয়ে নিহতের ছোট ছেলে সুমনের স্ত্রী আয়েশা বলেন তার শশুর তাদের সাথেই থাকতো, শুক্রবার মাগরিব নামাজের পর পর আমি তাদের (বড় ছেলের) এখান থেকে আসি বলে বের হয়ে যায়।

আমি আমার শাশুরিকে বলি আমার শরীরটা ভালো লাগছেনা আব্বায় আসলে ভাত দিয়েন এই কথা বলে ঘুমিয়ে যাই। সকালে উঠে আমার শশুরকে ঘরে না দেখে মনে করি আমার ভাসুরের ঘরে হয়তো ঘুমিয়ে আছে।পরে বেলা বারার সাথে সাথে না আসায় খোঁজ নিয়ে জানতে পারি আমার শশুর সেখানে যায় নাই।

তারপর সবদিকে খুঁজেও তাকে পাওয়া যাচ্ছেনা। এবিষয়ে জানতে নিহতের বড় ছেলে খোকন কোথায় জিজ্ঞেস করলে উপস্থিত লোকজন বলেন সে পিতার লাশ দেখে অসুস্থ্য হয়ে পরেছে এখন ঢাকা নিয়ে গেছে।

খোকনের স্ত্রী মাজেদার নিকট জানতে গেলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে নারাজ। স্থানীয় ইউপি সদস্য খলিল মিয়া বলেন নিখোঁজ হয়েছে বলে আমরা শুনেছি। আজ সকালে গ্রামের জসিম আমাকে ফোন দিয়ে বলেন তুমি আসো লোকজন নিয়ে ছাপ্পর আলীকে খুঁজি।

পরে তাকে খোজতে গিয়ে আবুল হোসেনের বাগান বাড়ি ঝোপের মধ্যে গলিত লাশ পাওয়া যায়। এদিকে গ্রামের অনেকেই ধারনা করছেন ছাপ্পর আলীকে হত্যা করা হয়েছে। কি কারণে হত্যা করতে পারে এমন প্রশ্নে অনেকেই নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন নিহতের ছোট ছেলে সুমন একজন সহজ সরল তার ভাগের সম্পদ আত্নসাত করার জন্যই হয়তো এমন ঘটনা ঘটতে পারে।

তবে বড় ছেলে খোকন ও তার স্ত্রী মাজেদাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই রহস্য উধঘাটন হবে বলে গ্রাম বাসী ধারণা করছে। তিতাস থানার পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) মো. শহিদুল ইসলাম হাওলাদার বলেন খবর পেয়ে ঘটনা স্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা পাঠিয়েছি রিপোর্ট আসলে বলা যাবে হত্যা না অন্য কিছু।

আরও সংবাদ

 এড মাহামুদা আক্তারের পৈত্রিক সম্পত্তী দখলে চেষ্টার অভিযোগ 

বন্দর প্রতিনিধি: বন্দর উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এডঃ মাহামুদা আক্তারের পৈত্রিক সম্পত্তী দখলে …