1. [email protected] : adminbackup :
  2. [email protected] : Gk Russel : Gk Russel
  3. [email protected] : stnews :
রূপগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যর্থতায় লাখো মানুষ পানিবন্দি - শিক্ষা তথ্য
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মানুষকে পরনির্ভর নয় স্বনির্ভর করুন : মোমিন মেহেদী বিএনপি নেতা রাজিবের পক্ষে পশ্চিম আইলপাড়ায় ঈদ সামগ্রী বিতরণ করলো সমাজকর্মীরা সেচ এবং কৃষি নির্ভর অর্থনীতিকে প্রসারিত করার প্রকল্প গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’ -নুরুল হক নুর, প্রতিমন্ত্রী অনৈতিক ভিডিও ভাইরলের ঘটনায় খেপুপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত রূপগঞ্জের শিমুলিয়া টুরিস্ট ঘাট থেকে চাঁদপুর ও বরিশালগামী বিশেষ লঞ্চ সার্ভিস চালু, খুশি ঘরমুখো যাত্রীরা রূপগঞ্জের সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি থানায় জিডি ঈদ উপলক্ষ্যে দুস্থ পরিবারের হাতে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ আপনাদের প্রত্যাশা পূরণ করা আমাদের দায়িত্ব: ভূমিমন্ত্রী আবুরখীল অমিতাভ উচ্চ বিদ্যালয় ‘৮৯ ব্যাচ পরিষদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বন্দরে ডেভিল যুবলীগ নেতা সোহেল মেম্বার গ্রেফতার

রূপগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যর্থতায় লাখো মানুষ পানিবন্দি

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫
  • ১১৩ Time View

মোঃ আবু কাওছার মিঠু  রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জলাবদ্ধতার নগরী লাখো মানুষ পানিবন্দি ফোর ফর্টি লাইন বন্ধ, সেচ প্রকল্প অচল – খাল দখলেই চরম দুর্ভোগ পানি নিষ্কাশনের ব্যর্থতায় রূপগঞ্জে লাখো মানুষ এখন পানিবন্দি অবস্থায় চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে। বানিয়াদি এলাকায় স্থাপিত অগ্রণী সেচ প্রকল্পের মেশিন চালু করা যাচ্ছে না ফোর ফর্টি লাইন না থাকায়। মেশিন অপারেটর জানান, “পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে লাইন ঠিক করার খবর পেলেই মেশিন চালু হবে। লাইন ঠিক থাকলে অল্প সময়েই পানি নামানো সম্ভব।” এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সাওঘাট অফিসের ডিজিএমের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

পরে ইঞ্জিনিয়ার আলতাফ হোসেন বলেন, “বিষয়টি আমি দেখছি।” ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, অপরিকল্পিত সেচ প্রকল্প, খাল দখল ও ভরাটের কারণেই জলাবদ্ধতা স্থায়ী রূপ নিচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে—তারাবো, বরপা, ভুলতা, গোলাকান্দাইল, আমলাবো, বলাইখা, বিজয়নগরসহ প্রায় ৩০টির বেশি গ্রাম ও পাড়া-মহল্লা পানিতে তলিয়ে গেছে। হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি ঢুকে পড়েছে ঘরে ঘরে। বিশুদ্ধ পানির সংকট তীব্র, গবাদি পশু সরিয়ে নেওয়া ও বাঁশের মাচায় বসবাস যেন নিত্যচিত্র হয়ে উঠেছে। শিল্পকারখানাও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত।

দুর্গন্ধযুক্ত কেমিক্যাল মিশ্রিত পানিতে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। ১৯৮৪ সালে ৯০ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘অগ্রণী সেচ প্রকল্প-১’ এবং ১৯৯৩ সালে আরও ১০১ কোটি টাকা ব্যয়ে শীতলক্ষ্যার পূর্ব পাড়ে ৫ হাজার হেক্টর জমি রক্ষায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করা হয়। কিন্তু কিছু বছরের মধ্যেই শুরু হয় জলাবদ্ধতা। পরবর্তীতে প্রকল্প এলাকায় মিল-কারখানা গড়ে ওঠে, ফলে বসতি ও শিল্পায়নের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জলাবদ্ধতাও বেড়ে যায়। রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “গত ১১ মাসে ৮টি খাল পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।

খাল খনন ও ড্রেন নির্মাণের কাজ চলছে। আশা করছি আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে জলাবদ্ধতা কিছুটা কমে আসবে।” পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-পরিচালক রাকিবুল আলম রাজিব জানান, “তারাবো পৌরসভার অধিকাংশ খাল শিল্প প্রতিষ্ঠানের দখলে। পানি বের হতে না পারায় জলাবদ্ধতা স্থায়ী রূপ নিয়েছে। খাল উদ্ধার করে স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ চলছে।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সাইবার প্লানেট বিডি