1. [email protected] : adminbackup :
  2. [email protected] : Gk Russel : Gk Russel
  3. [email protected] : stnews :
সাব্বির আলম হত্যা মামলায় জাকির খান বেকসুর খালাস - শিক্ষা তথ্য
রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা রোয়াংছড়িতে পটিয়ায় অটো টেম্পো সমবায় সমিতির নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি পুরন করলেন নওয়াবেঁকী জমে থাকা ড্রেনের পানির দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পথচারী ও কমলমতি শিক্ষার্থীরা খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি কার্ডের নাম অন্তরভুক্তির নামে নগদ টাকা নিচ্ছে সাবেক ইউপি সদস্য আলীকদমে বৈধ বিদ্যুৎ লাইন কেটে ৫০ হাজার টাকা দাবি, গৃহবধূকে মারধরের অভিযোগ নারায়ণগঞ্জ শহরে অবহেলিত শিশুদের মাঝে ইফতার বিতরণ করলো জেলা পেশাজীবী দল নওগাঁয় ছয় বছরের শিশু ধর্ষণ, গ্রেফতার-১ অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও হুইলচেয়ার বিতরণ করল সদর উপজেলা প্রেসক্লাব ঘুষ, নির্যাতন ও মোবাইল কোর্ট; ন্যায় বিচারের কাঠগড়ায় রাষ্ট্রযন্ত্র নওগাঁয় স্ত্রী সন্তানকে হত্যার পর যুবকের আত্মহত্যা

সাব্বির আলম হত্যা মামলায় জাকির খান বেকসুর খালাস

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ২৭১ Time View

নারায়ণগঞ্জের বহুল আলোচিত ব্যবসায়ী সাব্বির আলম খন্দকার হত্যা মামলায় সাবেক ছাত্রদল নেতা জাকির খানকে বেকসুর খালাস প্রদান করেছে আদালত। একই সাথে এই মামলার সকল অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সারে ১১টার দিকে এই রায় ঘোষণা করেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালত মমিনুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ের তথ্যটি লাইভ নারায়ণগঞ্জকে নিশ্চিত করেছেন কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. কাইউম খান। এর আগে, সকাল ১১টায় আদালতে আনা হয় জাকির খানকে। এসময় হাজারো কর্মী সমর্থক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত হলে পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন ব্যবসায়ী নেতা সাব্বির আলম খন্দকার । এ হত্যাকান্ডের পর তৎকালীন জেলা বিএনপির সভাপতি ও বর্তমান তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব এবং নিহতের বড় ভাই তৈমুর আলম খন্দকার বাদী হয়ে সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নামে ফতল্লা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর মোট ৯ জন তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়। পরবর্তিতে সিআইডির এএসপি মসিহউদ্দিন দশম তদন্তকারী কর্মকর্তা দীর্ঘ প্রায় ৩৪ মাস তদন্ত শেষে তিনি ২০০৬ সালের ৮ জানুয়ারী আদালতে ৮ জনকে আসামি করে চার্জশীট দাখিল করেন। এতে মামলা থেকে সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিন, তার শ্যালক জুয়েল, শাহীনকে অব্যাহতি দিয়ে সাবেক ছাত্রদল সভাপতি জাকির খান, তার দুই ভাই জিকু খান, মামুন খানসহ মোট ৮ জনকে আসামি উল্লেখ করা হয়। এ চার্জশিটে মামলার প্রধান আসামি গিয়াস উদ্দিনকে মামলা থেকে বাদ দেওয়ায় মামলার বাদী তৈমুর আলম খন্দকার চার্জশিটের বিরুদ্ধে ওই বছরের ২৪ জানুয়ারি আদালতে নারাজি পিটিশন দাখিল করেন। নারাজি পিটিশনে তৈমূর আলম বলেছিলেন, ‘গিয়াসউদ্দিনই সাব্বির আলম হত্যাকাণ্ডের মূল নায়ক। গিয়াসউদ্দিন ও তার সহযোগীদের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা একটি গোঁজামিলের চার্জশিট দাখিল করেছেন।’এরপর থেকে ৫ বছরের অধিক সময় ধরে নারায়ণগঞ্জ বিচারিক হাকিম আদালতে (ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট) মামলার শুনানি চলে আসছিল। গত ২০১১ সালের অক্টোবর মাসে তৈমুর আলম খন্দকার আদালতে দাখিলকৃত না রাজি পিটিশনটি আবেদন করে প্রত্যাহার করে নেন। নারাজি পিটিশন প্রত্যাহারের কারণে সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন এখন আর মামলায় অভিযুক্ত নেই। ফলে সিআইডি ২০০৬ সালের ৮ জানুয়ারি আদালতে যে ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছেন তার উপর ভিত্তি করেই মামলাটি পরিচালিত হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সাইবার প্লানেট বিডি